,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ব্যাপক রদবদলের গন্ধ বাংলাদেশের রাজনীতিতেঃ মূল্যায়ন হতে পারে আত্মত্যাগী নেতাদের «» ব্রিজ ভেঙে পাথরবোঝাই ট্রাক খালে «» এক ম্যাচেই তিন রেকর্ড রোনালদোর! «» রোনালদোর অভাব বুঝতেই দিলেন না রোনালদোর দিবালা-মোরাতারা «» উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা–সংক্রান্ত বিধান বাস্তবায়নে নির্দেশ «» ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন «» শিক্ষামন্ত্রী-ভিসিরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে বৈঠকে «» স্বপ্ন দেখেন বুসকেতস মেসিকে ছাড়াও চ্যাম্পিয়নস লিগ নিয়ে «» বৈরাণ নদীর উপর নির্মিত ভাতকুড়া সেতু ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগ গ্রস্থদের নৌকা দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন “আরশেদ আলী রাসু” «» বৈঠক শুরু আজ ভোট ও আন্দোলনের কৌশল ঠিক করতে বিএনপির সিরিজ

ভয়ঙ্কর রূপে করোনা, জাতীয় পরামর্শক কমিটির ৫ সুপারিশ

দেশে করেনোভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপে ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সরকারের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে গড় শনাক্তের হার ২৩ শতাংশে পৌঁছে গেছে। দেশের সামগ্রীক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে রোগীর সেবা বাড়ানো, বিনোদন কেন্দ্র, বইমেলা ও সমাজিক অনুষ্ঠানবন্ধ করাসহ পাঁচ দফা গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় এই ৫ দফা সুপারিশ করা হয়।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহিদুল্লা কমিটির পক্ষে সুপারিশগুলো গণমাধ্যমে পাঠান। এগুলো হচ্ছে- ১. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ কমানোর লক্ষ্যে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। পরামর্শক কমিটি এই নির্দেশনা জারিকে স্বাগত জানায় এবং ধন্যবাদ জানায়। তবে এগুলো কার্যকর করার জন্য বাস্তবায়ন কর্মসূচি বা প্রস্তুতি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।

২. হাসপাতালগুলোতে যথাসম্ভব কোভিড-১৯ রোগীর শয্যা সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। আইসিইউতে শয্যা বাড়ানো দরকার। ঢাকার বাইরে মেডিকেল কলেজগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে সেখানে এলাকার রোগীদের চিকিৎসা করা দরকার।

৩. কোভিড-১৯ এর জন্য টেস্ট করতে আসা মানুষ যাতে সহজে সেবা পায় তার ব্যবস্থা করা দরকার। আগামী দিনগুলোতে করোনা টেস্ট করার চাহিদা বাড়তে পারে, সেটি মাথায় রেখে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি প্রয়োজন।

৪. রোগ প্রতিরোধের জন্য অবিলম্বে সামাজিক অনুষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্র, বইমেলা ও অন্যান্য মেলা বন্ধ করা দরকার। পরিবহনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা এ সম্পর্কে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব নির্দেশনা যাতে পালন করা হয় তার ব্যবস্থা নিতে হবে। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে দিকনির্দেশনা নেওয়া যেতে পারে।

৫. টিকাদান পরবর্তী সার্ভিলেন্সের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংক্রমণের গতি প্রকৃতি বোঝার জন্য জেনেটিক সিকুয়েন্সিং করা দরকার। এ জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যোগাযোগঃ

মীর প্লাজা ( ৩য় তলা ), ৮৮  সি কে, ঘোষ রোড , ময়মনসিংহ ।

মোবাইল: ০১৭১১-৬৮৪১০৪

ই-মেইল: matiomanuss@gmail.com