,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ব্যাপক রদবদলের গন্ধ বাংলাদেশের রাজনীতিতেঃ মূল্যায়ন হতে পারে আত্মত্যাগী নেতাদের «» ব্রিজ ভেঙে পাথরবোঝাই ট্রাক খালে «» এক ম্যাচেই তিন রেকর্ড রোনালদোর! «» রোনালদোর অভাব বুঝতেই দিলেন না রোনালদোর দিবালা-মোরাতারা «» উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা–সংক্রান্ত বিধান বাস্তবায়নে নির্দেশ «» ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন «» শিক্ষামন্ত্রী-ভিসিরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে বৈঠকে «» স্বপ্ন দেখেন বুসকেতস মেসিকে ছাড়াও চ্যাম্পিয়নস লিগ নিয়ে «» বৈরাণ নদীর উপর নির্মিত ভাতকুড়া সেতু ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগ গ্রস্থদের নৌকা দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন “আরশেদ আলী রাসু” «» বৈঠক শুরু আজ ভোট ও আন্দোলনের কৌশল ঠিক করতে বিএনপির সিরিজ

উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা–সংক্রান্ত বিধান বাস্তবায়নে নির্দেশ

বিশেষ প্রতিনিধি: উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরের কাগজপত্র ও নথি অনুমোদনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করতে হবে—এটিসহ এ–সংক্রান্ত বিধি ও প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ জন্য আদালতের আদেশের বিষয়টি উল্লেখ করে ইউএনওদের প্রতি সার্কুলার জারি করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও দুমকি উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খানসহ পাঁচজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রিটটি করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। ইউএনওদের সাচিবিক দায়িত্ব পালনের বিধান–সংক্রান্ত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।
আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর/কর্ম উপজেলা পরিষদে হস্তান্তর বিষয়ে ২০১০ সালের ১৭ জুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে ইউএনও বিষয়ে বলা হয়, ইউএনও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে তাঁর নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। তিনি পরিষদের অর্থ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সব প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করবেন। উপজেলা পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবেন।

একই বছরের সেপ্টেম্বরে উপজেলা পরিষদের (কার্যক্রম বাস্তবায়ন) বিধিমালায় সংশোধনী আনা হয়। সংশোধিত ১৪(১) উপবিধির ভাষ্য, দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত বিষয়ে সব কাগজপত্র ও নথি, ইউএনওর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন। তবে ওই প্রজ্ঞাপন ও সংশোধিত উপবিধির বাস্তবায়ন হচ্ছে না উল্লেখ করে রিট আবেদনকারীরা সম্পূরক আবেদন করেন, যার ওপর আজ শুনানি হয়।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যোগাযোগঃ

মীর প্লাজা ( ৩য় তলা ), ৮৮  সি কে, ঘোষ রোড , ময়মনসিংহ ।

মোবাইল: ০১৭১১-৬৮৪১০৪

ই-মেইল: matiomanuss@gmail.com