Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব «» আজ ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী : গুণীজন সম্মাননা ‘২০১৯ পাচ্ছেন ১৩ গুণী ব্যক্তিত্ব «» অস্ত্র চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি মানিক গ্রেফতার «» ডাকসু’র জিএস ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক রব্বানী’র জন্মদিনে বাকৃবি শাখার দৃষ্টিনন্দন আয়োজন «» কলমের স্বপ্নভঙ্গ- ৭১’এর মতো আরেকটি যুদ্ধ করতে হবে, তরুণ প্রজন্ম তৈরি থেকো- ফ্যাক্ট রোহিঙ্গা «» অক্সিজেনের ফ্যাক্টরিতে আগুন : আমাজন জঙ্গল «» পরিচ্ছন্ন নগরী চাই, ডেঙ্গু মুক্ত জীবন চাই «» ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা: এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর চাই না «» বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কিছু সময় «» রিতুকে ফিরে পাওয়ার আকুতি ; সন্ধান চাই

বিষ্ফোরক তথ্য

মাটি ও মানুষ বিশ্লেষণ : আশিক চৌধুরী ॥ ৬ আগষ্ট পত্রিকার রিপোর্ট॥
এমপি নাজিম উদ্দিন আহমদ এড জহিরুল হক খোকার কড়া সমালোচনা করেছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, স্নায়ুযুদ্ধ রাজনীতিতে থাকেই।
নেতা-নেতায় মতানৈক্য, মতদ্বৈততা সম্ভব। বাহাস ও অসম্ভাব নয়। নেতাদের অভিজ্ঞতাও আলাদা, মুখোমুখি অবস্থানও সময়ের ব্যাপার। কিন্তু, প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব বা দ্বন্দ্বের বহি: প্রকাশ যখন চরম মাত্রায় ঘটে তখন তার ‘রাজনৈতিক সমাধানই’ জরুরি।
শুক্রবার, মাটি ও মানুষ-জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির বিপক্ষে বিষ্ফোরক তথ্য দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলটির একজন সাংসদ। তা প্রকাশ করে দেয় মাটি ও মানুষ । যা নিয়ে তোলপাড় চলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তা ঝড় তুলে।
রাজনীতির এক নেতার বিরুদ্ধে অন্য নেতার জ্বালাময়ী বক্তব্য হয়েছে একটি স্মরণসভায়। সেখানে অন্য নেতারাও একই সুরে কথঅ বলেছেন। কেউ অবজেশন দেন নি। ভিন্নমত ও দেন নি। ওই সভায় বক্তব্যের রেকর্ড সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষন করে মাটি ও মানুষ শুক্রবার যে রিপোর্টটি করে তা গতকার পরশু হয়ে উঠে ‘টক অব দ্য ডিস্টিক্ট ’।
স্থানীয় পত্রিকায় সচরাচর এ ধরনের রিপোর্ট হয় না। তবে সেটি একটি ঘটনা। চাঞ্চল্যকর বক্তব্য। রিপোট যোগ্য। এটি জেলা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীন বিষযকে সামনে এনেছে।
কেন একজন এমপি তার দলের জেলা সভাপতির বিপক্ষে জনসমক্ষে কড়া সমালোচনা করলেন-তা নিযে জনমনে চলছে নানা গুজ্ঞন।
আবার এমপি যে অভিযোগ এনেছেন-তার কোন প্রতিবাদ তাৎক্ষনিকভাবে হয় নি। এমনকি পত্রিকায় খবরটি ফাঁস হয়ে পড়ার পর এ রিপোর্ট লেখার আগে সভাপতির তরফ থেকে কোন ব্যাখ্যা, প্রতিবাদ, ভিন্নমত পাওয়া যায় নি। এ ব্যাপারে সভাপতির মতামত জানা যায় নি। তার ঘনিষ্ট জন্যও কোন মন্তব্য করেন নি।
বিষয়টির স্পর্শকাতর। এনিয়ে জনগনের কৌতুহল রয়েছে। অনেকের এর সত্যা সত্য জানতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বলেছেন-‘ওই বক্তব্য সত্য হরে তো সর্বনাশ।’
ক্ষমতাসীন দলের ময়মনসিংহ জেলা সভাপতির অতীত এর দিকে আঙ্গুল তুলেছেন বক্তা। তিনি বলেছেন (কাট-আনকোট) ‘নৌকার বিপক্ষে পাকিস্তানের পক্ষে গোলাপ ফুলে নির্বাচহন করেছিলেন এড. জহিরুল হক খোকা’। বক্তও এডভোকেট। গৌরীপুরের এমপির এড নাজিম উদ্দিন আহমদ বক্তব্যটি রাজনৈতিক।
এক্ষেত্রে দরকর সমাঝোত্।া সেটা দলের ভামূর্তির জন্য এবং উভয় নেতার পক্ষে বিপক্ষের মতান্তরকে দূর করার জন্য প্রয়োজন। রাজনৈতিক সৌজন্যের বিষয় এটি।
ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা পড়েছে কেন্দ্রে। জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে যে তালিকা জমা দিয়েছেন জেলার ৬ এমপি তার বিপক্ষে আপত্তি দিয়েছেন। তারাও অন্তত: ১৭ নেতার নাম জমা দিয়েছেন কমিটি পুণবিন্যাসের জন্য। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি ও হাইব্রিড, বিতর্কিত, পদ বানিজ্যের বিপক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছেন। এ নিয়েই জোল বির্তক চলছে।
এমপি এড. নাজিম উদ্দিন আহমেদ এর সাথে জেলা সভাপতি এড. জহিরুল হক খোকার বিরোধ বা দূরত্ব ‘সম্ভাবত’ এজন্যই হয়ে থাকবে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটির যে তালিকা কেন্দ্রে জমা পড়েছে তার জের ধরেই দুই সিনিয়র নেতা পরস্পর বিষোদগার করে দ্বন্দ্বিক অবস্থানে গিয়ে পৌছেছেন কি ?
মনে হয়-সভাপতি-সম্পাদক পদের ২ নেতা বিশিষ্ট জেলা কমিটির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে গিয়ে অন্য নেতৃবৃন্দের সাথে অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বকে সামনে এনেছেন্ কমিটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই জেলা আওয়ামী লীগ, দ্বন্দ্ব, অনৈক্য ও গ্রুপ বিভাজনের ছায়ায় পড়েছে।
উল্লেক্য, সাবেক সভাপতি ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান একযুগ ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভপতি ছিলেন। জেলা সম্মোলনকে সামনে রেখে ১ বছর আগে গ্রুপিং কোন্দল বিভাজন সৃষ্টি করে অধ্যক্ষ কে জেলা নেতৃত্ব থেকে হটিয়ে লবিং গ্রুপিং এর জেরে বর্তমান কমিটি আসে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতেও তারা তাদের গ্রুপকেই কমিটির পদ দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে অধ্যক্ষের সমর্থকদের কমিটিতে রাখা হয় নি। যাতে বাদ পড়েন ত্যাগীয় ও পরীক্ষিথ নেতারা।
ফলে ময়মনসিংহে নেতারা খুব দ্রুতই একে অপরের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এটা দলীয় ঐক্যের জন অশনিসংকেত।
ধর্মমমন্ত্রী নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগ ১২ বছরের মধ্যে ১১ বছরই ঐক্যবদ্ধ ছিল। অথচ ১ বছর না যেতেই বর্তমান কমিটি অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব সংকটকে ধূমায়িত করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের ৫টি বলয়ে গড়ে উঠেছে। নেতারা দলীয় ঐক্যের পরিপন্থী পথে হাটছেন। জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি তারই দলিল হতে যাচ্ছে যদি কেন্দ্র এতে হস্তক্ষেপ না করে।
জেলা সভাপতিকে লক্ষ্য করে এমপি নাজিম উদ্দিন যে কথা বলেছেন, অনেকেই তাকে সমর্থন করেছেন। সেব্যাপারে মাটি ও মানুষ অনুসন্ধানী অব্যাহত রেখেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial