Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত «» বিখ্যাত সব ফুটবলার আর কোচের জন্ম দিয়েছে যে দিনটা «» শেরপুর সদর থানায় নবনির্মিত ডিউটি অফিসার কক্ষ ও ডিজিটাল কিউ মেশিনের উদ্বোধন «» ভোটের রাজনীতির প্রতি মানুষের অনীহা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: ওবায়দুল কাদের «» বাংলাদেশে এখনো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হয়নি, তবে ঝুঁকি রয়েছে «» ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর বার্ষিক বনভোজন ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২০ «» করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্ব; চীন থেকে ফিরতে আগ্রহীদের নিবন্ধন শুরু «» ছাত্র থেকে মুক্তিযোদ্ধা, কৃষিবিদ থেকে কৃষিমন্ত্রী- ড. আব্দুর রাজ্জাক «» দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাকৃবিতে ইভটিজিং, সাময়িক বহিষ্কার চার শিক্ষার্থী «» শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নুরুলের ১০৫ বছর বয়সী মায়ের শেষ ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষাৎ

হাইব্রিডের লবিংএ ছিদ্র হচ্ছে নৌকা

মাটি ও মানুষ ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনে আওয়ামী লীগ জিতবে। টানা তৃতীয় বারের মতো বিজয়ী হবে নৌকা। এক্ষেত্রে একটু অনিশ্চিয়তা আছে। অংশগ্রহনমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ন নির্বাচন হলে খবর আছে। কেননা, বিএনপির জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের গ্রহনযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।
বিএনপির টকশো স্পেশালিষ্টদের মতো, সংবাদ মাধ্যম আওয়াজ থেরাপীতে লিপ্ত। বিএনপির জনপ্রিয়তা কাগজে লেখা খবর। ফেক নিউজ। আর সেটা উঠে আসে মাঠের আওয়ামী লীগের ভ্রান্তিবিলাস থেকে। বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির জয় সেই জনপ্রিয়তার সূচক। কিন্তু সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয়? অংকটা জটিল।
ঠিক আছে, বিএনপির সংখ্যাতীত ভোটার ভোট বিপ্লবের জন্য উন্মুল, অধীর। কিন্তু মনোনয়ন? ঢাকা না লন্ডন থেকে? সেই প্রশ্নে তারাও যখন বিভক্ত হবে-তখন কী হবে? মনোনয়ন ঝড়ে দলের সাজানো বাগান লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
যেমন টালমাটাল আওয়ামী লীগ। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় মনোনয়ন যুদ্ধ তুঙ্গে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা থাকলে গ্রহনযোগ্যতা কম। গ্রাহনযোগ্যতা থাকলে জনপ্রিয়তা নিরংকুশ নয়।
দ্বিধাদ্বন্দ্বেন মেঘ সরে গেলে আওয়ামী লীগের আকাশ পরিস্কার হবে। নৌকার পালে হাওয়া লাগবে। সাধারণ মানুষ যারা জনসাধারণ তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নেই। সংশয় নেই। তারা জানেন- শেখ হাসিনাই ভালো প্রধানমন্ত্রী। জনমতে তাই খালেদা জিয়ার নাম নাই। জনগন জানে, এবং বিশ্বাস করে- প্রধানমন্ত্রী পদে পরিবর্তন নিষ্প্রয়োজন। আওয়ামী লীগই আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবে।
ইকনমিষ্ট রিপোর্ট করেছিল; বাংলাদেশের মানুষ প্রতিটি নির্বাচনে সরকার বদল করে। সেই বিখ্যাত পত্রিকাই লিখেছে-এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অগ্রগতি বিষ্ময়কর। কান্টিরিপোর্ট: বাংলাদেশ ২০১৮ প্যারাডক্স এর বার্ষিক গোপন রিপোর্টে সিআইএর অনুমান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা নিন্মগামী। তবে প্রধানমন্ত্রী উমেজ ও কৌশলেই আওয়ামী লীগ অগ্রগামী। জয় অনিবার্য। তৃণমূলের সন্দেহ নেই বিএনপি ভয় পায় শেখ হাসিনাকেই। তিনি একাই একশো। লিখে দিয়েছে বাংলা ইনসাইডার। তবে টু/থার্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে আওয়ামী লীগ। ভবিষ্যৎ পর্যলোচনা সিআরআইএর। তৃণমূলের কোন্দলই প্রধান সমস্যা। বড় বিপর্যয়ের শংকা এখানেই।
সিআরইএর জরিপ, ৪র্থ বার ক্ষমতায় থাবকেন শেখ হাসিনা। বিএনপি থাকবে তৃতীয় অবস্থানে। দ্বিতীয় অবস্থানে এরশাদ। জাতীয় পার্টি এর মাঝে রাজনীতিতে অভ্যূদয় ঘটেছে তৃতীয় ধারার।
বাকী অংশ আপডেটে দেখুন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial