,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ২০৩০ সালের মধ্যে সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় হবে ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী «» ছোটদের সঙ্গে বড়রাও ! স্বাস্থ্যের তলায় তলায় দুর্নীতি বছরের পর বছর «» ধোবাউড়ায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিত করণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্টিত «» কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য গ্রেপ্তার: উত্তরখানে সোহাগ হত্যা «» ধর্ষণের অভিযোগটি ভিপি নূরের বিরুদ্ধে নয় «» সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মূল ঘটনার বিকৃতভাবে উপস্থাপন করায় প্রতিবাদ «» সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা কি ? «» ভালুকায় সাংবাদিক নিগ্রহের বিচার দাবিতে মানববন্ধন «» ইসরায়েল ইস্যুতে প্রকাশ্যে সৌদি বাদশাহ-যুবরাজের বিরোধ! «» শতকোটি টাকা, অফিসে এলাকায় সাম্রাজ্য স্বাস্থ্য-শিক্ষা ডিজির ড্রাইভারের

হাইব্রিডের লবিংএ ছিদ্র হচ্ছে নৌকা

মাটি ও মানুষ ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনে আওয়ামী লীগ জিতবে। টানা তৃতীয় বারের মতো বিজয়ী হবে নৌকা। এক্ষেত্রে একটু অনিশ্চিয়তা আছে। অংশগ্রহনমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ন নির্বাচন হলে খবর আছে। কেননা, বিএনপির জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের গ্রহনযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।
বিএনপির টকশো স্পেশালিষ্টদের মতো, সংবাদ মাধ্যম আওয়াজ থেরাপীতে লিপ্ত। বিএনপির জনপ্রিয়তা কাগজে লেখা খবর। ফেক নিউজ। আর সেটা উঠে আসে মাঠের আওয়ামী লীগের ভ্রান্তিবিলাস থেকে। বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির জয় সেই জনপ্রিয়তার সূচক। কিন্তু সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয়? অংকটা জটিল।
ঠিক আছে, বিএনপির সংখ্যাতীত ভোটার ভোট বিপ্লবের জন্য উন্মুল, অধীর। কিন্তু মনোনয়ন? ঢাকা না লন্ডন থেকে? সেই প্রশ্নে তারাও যখন বিভক্ত হবে-তখন কী হবে? মনোনয়ন ঝড়ে দলের সাজানো বাগান লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
যেমন টালমাটাল আওয়ামী লীগ। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় মনোনয়ন যুদ্ধ তুঙ্গে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা থাকলে গ্রহনযোগ্যতা কম। গ্রাহনযোগ্যতা থাকলে জনপ্রিয়তা নিরংকুশ নয়।
দ্বিধাদ্বন্দ্বেন মেঘ সরে গেলে আওয়ামী লীগের আকাশ পরিস্কার হবে। নৌকার পালে হাওয়া লাগবে। সাধারণ মানুষ যারা জনসাধারণ তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নেই। সংশয় নেই। তারা জানেন- শেখ হাসিনাই ভালো প্রধানমন্ত্রী। জনমতে তাই খালেদা জিয়ার নাম নাই। জনগন জানে, এবং বিশ্বাস করে- প্রধানমন্ত্রী পদে পরিবর্তন নিষ্প্রয়োজন। আওয়ামী লীগই আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবে।
ইকনমিষ্ট রিপোর্ট করেছিল; বাংলাদেশের মানুষ প্রতিটি নির্বাচনে সরকার বদল করে। সেই বিখ্যাত পত্রিকাই লিখেছে-এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অগ্রগতি বিষ্ময়কর। কান্টিরিপোর্ট: বাংলাদেশ ২০১৮ প্যারাডক্স এর বার্ষিক গোপন রিপোর্টে সিআইএর অনুমান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা নিন্মগামী। তবে প্রধানমন্ত্রী উমেজ ও কৌশলেই আওয়ামী লীগ অগ্রগামী। জয় অনিবার্য। তৃণমূলের সন্দেহ নেই বিএনপি ভয় পায় শেখ হাসিনাকেই। তিনি একাই একশো। লিখে দিয়েছে বাংলা ইনসাইডার। তবে টু/থার্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে আওয়ামী লীগ। ভবিষ্যৎ পর্যলোচনা সিআরআইএর। তৃণমূলের কোন্দলই প্রধান সমস্যা। বড় বিপর্যয়ের শংকা এখানেই।
সিআরইএর জরিপ, ৪র্থ বার ক্ষমতায় থাবকেন শেখ হাসিনা। বিএনপি থাকবে তৃতীয় অবস্থানে। দ্বিতীয় অবস্থানে এরশাদ। জাতীয় পার্টি এর মাঝে রাজনীতিতে অভ্যূদয় ঘটেছে তৃতীয় ধারার।
বাকী অংশ আপডেটে দেখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial