Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব «» আজ ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী : গুণীজন সম্মাননা ‘২০১৯ পাচ্ছেন ১৩ গুণী ব্যক্তিত্ব «» অস্ত্র চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি মানিক গ্রেফতার «» ডাকসু’র জিএস ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক রব্বানী’র জন্মদিনে বাকৃবি শাখার দৃষ্টিনন্দন আয়োজন «» কলমের স্বপ্নভঙ্গ- ৭১’এর মতো আরেকটি যুদ্ধ করতে হবে, তরুণ প্রজন্ম তৈরি থেকো- ফ্যাক্ট রোহিঙ্গা «» অক্সিজেনের ফ্যাক্টরিতে আগুন : আমাজন জঙ্গল «» পরিচ্ছন্ন নগরী চাই, ডেঙ্গু মুক্ত জীবন চাই «» ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা: এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর চাই না «» বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কিছু সময় «» রিতুকে ফিরে পাওয়ার আকুতি ; সন্ধান চাই

চেন্নাই পর্যন্ত গিয়েও টাকার অভাবে অপারেশন হলো না ৪ বছরের রুমীর

মাটি ও মানুষ ॥
৪ বছর বয়সী কন্যা শিশু আরজিনা আক্তার রুমী। এই বয়সেই তার হার্টে ব্লক ধরা পড়েছে। মাস ছয়েক আগে রোগটি ধরা পড়ে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পর রাজধানীর মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে পরীক্ষা নিরীক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরামর্শ দেন রোগীকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিতে। মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে রোগীর বাবা আনার মিয়ার। যিনি পেশায় একজন রং মিস্ত্রী। ময়মনসিংহ শহরের ঢোলাদিয়ায় থাকেন। গরীব মানুষ।

ঢাকার পরামর্শকরা জানান, মেয়েটিকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করাতে হবে। জানানো হয় লাখ দুয়েক টাকা লাগতে পারে।
অনেক চেষ্টা কওে, মানুষের সহায়তার নিয়েও হাওলাত বরাত করে চিকিৎসার জন্য ২ লাখ টাকা জোগাড় করেন আনার মিয়া। গত ২১ নভেম্বও সড়ক পথে অসুস্থ কন্যা রুমী (৪) কে নিয়ে চেন্নাই খ্রীষ্টিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান আনার মিয়া ও তার স্ত্রী রোকসানা।
হাসপাতালে ভর্তির পর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনুপ জর্জ অ্যালেক্স পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানান অপারেশনই করতে হবে। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে অপারেশনের বিল দেবার সময়। হাসপাতাল থেকে জানানো হয় প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ হবে। রোগীর অভিভাবকের সমস্যঅ জানতে পেওে হাসপাতাল থেকে কিছু টাকা ছাড় দিয়ে বলা হয় সাড়ে ৩ লাখ টাকার কমে অপারেশন করা যাবে না।
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, অপারেশনের জন্য হাসপাতালে ভর্তির পরও অর্থাভাবে অপারেশন না করিয়েই রুমীকে ফেরৎ নিয়ে আসতে বাধ্য হন আনার-রোকসানা দম্পতি।

মাঝে যে ২ লাখ টাকা জোগাড় করে নিয়ে গিয়েছিলেন তার ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে।
তারপর এক মাসেরও বেশি সময় চলে যাচ্ছে। এশটি পয়সাও জোগাড় করতে পারছেন না রং মিস্ত্রি গরীব আনার মিয়া। চারদিকে অন্ধকার দেখছেন। যার চোখের সামনে দিন দিন বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ৪ বছরের এক শিশু কন্যা হৃদরোগী। ডাক্তার আশ^াস দিয়েছিলেন দ্রুত অপারেশন হলে মেয়েটিকে নিশ্চিত মৃত্যুও হাত থেকে বাঁচানোর সম্ভাবনা আছে। কিন্তু কি কওে ৪/৫ লাখ টাকা জোগাড় করবে রুমীর বাবা আনার মিয়া।

যার কোন সহায় সম্বল নেই। নি:স্ব আনার মিয়া। কোথায় পাবে এতগুলো টাকা। কে দিবে? মানবতার প্রশ্নে একটি হৃদরোগী শিশুকে বাঁচাতে কেউ কি এগিয়ে আসবে দায়িত্ব নিবে শিশুরি চিকিৎসা সহায়তার। কোন দানবীর বা মানবিক উদ্যোগ কী এগিয়ে আসবেন রুমীকে বাঁচাতে।
এক রাশ দুশ্চিন্তা নিয়ে অসহায় এক বাবা মা। এখন কেবলই কেঁদে কেঁদে ঘুরছে। সাহায্যের আশায় খাগডহর রূপালী ব্যাংক শাখায় ৯৮৩ নং হিসাব খুলেন আনার মিয়া। একটি টাকাও কোথাও থেকে আসেনি।
আনার মিয়ার মোবাইল নং: ০১৮৬০-৫০০১৫১।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial