Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব «» আজ ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী : গুণীজন সম্মাননা ‘২০১৯ পাচ্ছেন ১৩ গুণী ব্যক্তিত্ব «» অস্ত্র চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি মানিক গ্রেফতার «» ডাকসু’র জিএস ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক রব্বানী’র জন্মদিনে বাকৃবি শাখার দৃষ্টিনন্দন আয়োজন «» কলমের স্বপ্নভঙ্গ- ৭১’এর মতো আরেকটি যুদ্ধ করতে হবে, তরুণ প্রজন্ম তৈরি থেকো- ফ্যাক্ট রোহিঙ্গা «» অক্সিজেনের ফ্যাক্টরিতে আগুন : আমাজন জঙ্গল «» পরিচ্ছন্ন নগরী চাই, ডেঙ্গু মুক্ত জীবন চাই «» ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা: এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর চাই না «» বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কিছু সময় «» রিতুকে ফিরে পাওয়ার আকুতি ; সন্ধান চাই

ঝুকিপূর্ণ ৭নং ওয়ার্ডে ভোটার প্রত্যাশা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

মাটি ও মানুষ রিপোর্ট :

৭নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচনে একদিকে প্রেষ্টিজ ইস্যু অন্যদিকে শান্তিপূর্ণ ভোট প্রত্যাশা ইস্যু জোরদার হয়েছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৫ মে রবিবার ভোট গ্রহণ হবে। তন্মধ্যে ৭নং ওয়ার্ডকে ঝুকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের উপর চাপ বেড়েছে। জনমনেও শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশার সংশয় রয়েছে।

 

 

অবশ্য প্রশাসনের তরফ থেকে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রশ্নে আশ্বাস দেয়া আছে।

ময়মনসিংহ মহানগরের প্রাণকেন্দ্র ৭নং ওয়ার্ডে নগর ভবনসহ জেলা ও বিভাগীয় অফিস-আদালত রয়েছে। প্রায় ৭ হাজার ভোটার অধ্যূষিত এই ওয়ার্ডে প্রেষ্টিজ ইস্যু বনাম পরিবর্তন ইস্যুতে ভোটযুদ্ধ হবে।
ভোট বিশেষজ্ঞদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই ওয়ার্ডের জনপ্রত্যাশায় পরিবর্তন ইস্যুর পালে হাওয়া লেগেছে।

 

 

ফলে নির্বাচনী প্রচারনার শুরুতেই এখানে প্রথম উত্তেজনার উত্তাপ ছড়ায় প্রতিপক্ষের কর্মীদের উপর ছোট-খাটো হামলার ঘটনায়। যা জনমনে শংকার সঞ্চার করে। বিষয়টিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলো। প্রশাসন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের আশ্বাস দেয়। তারপর অবশ্য ভোটের মাঠে আনন্দ উচ্ছ্বাস চললেও এই ওয়ার্ডে চলছে অন্যরকম এক পরিস্থিতি।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রভাবশালী মহলের প্রার্থীর কর্মীরা প্রতিপক্ষের কর্মী ও সমর্থকদের উপর প্রকাশ্যে বিশেষ চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। শুরু হয়েছে ভোটারদের ডেকে নিয়ে তাদের প্রার্থীকে নির্বাচনে জয়ী করানোর নির্দেশনা। অন্যথায় সম্ভাব্য হুমকির কথা ভেবে চাপের মধ্যে রয়েছেন অনেকেই। বিষয়টি গোপনে বা একান্তের হলেও নির্বাচনী মাঠে তা চাউর হয়ে গেছে। ডেকে ডেকে নিয়ে চাপ দেয়ার বিষয়টিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য হুমকি হিসাবেই দেখছেন সাধারণ ভোটাররা।
সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির ঘোষনা দিয়েছিল।

 

 

কিন্তু ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রতিটি ওয়ার্ডে দলীয় একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়। ফলে কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন দলীয় মনোনয়নের বদলে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
৭নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উভয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ওয়ার্ডে ৯ জন প্রার্থী রয়েছেন। অবশ্য প্রতীক বরাদ্দের পর একজন প্রার্থীকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে প্রচার হয়েছে।

 

 

এদিকে ৭নং ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর ও বিলুপ্ত পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র এর সমর্থকরা নির্বাচনকে প্রেষ্টিজ ইস্যু হিসাবে নিয়েছেন। তাকে পুনরায় বিজয়ী করতে তার সমর্থকরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অন্যদিকে তার সমর্থনে জেলার একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন। জেলার নেতৃবৃন্দরা ৭নং ওয়ার্ডে একাধিক নির্বাচনী সভা করেন। যদিও নেতৃবৃন্দের পক্ষের ফেসবুক বিবৃতিতে দাবি করা হয় তারা নিরপেক্ষ।

 

 

ময়মনসিংহ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তিনি ফেসবুক স্টেটাসে তার নিরপেক্ষ অবস্থানের কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

 

 

কিন্তু তার ঘনিষ্ট আত্মীয় সাবেক প্যানেল মেয়র এর পক্ষে প্রভাবশালী নেতা মাঠে নেমেছেন। এতে অবশ্য ওই প্রার্থীর সমর্থকরা চাঙ্গা হলেও, প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের শিবিরে যা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার কারণ হয়েছে। প্রতিপক্ষ একাধিক প্রার্থী বলেন-ভোট প্রভাবিত করার এই মিশনে তারা বিষ্মিত হলেও উন্মুক্ত নির্বাচনে উচ্চ পর্যায়ের নেতারা প্রার্থী বিশেষের পক্ষ নিলে তারা হতাশ না হয়ে পারেন না।
একদিকে ডেকে নেয়ার থেরাপী। অন্যদিকে প্রার্থী বিশেষের পক্ষে রথী মহারথীদের প্রকাশ্য অবস্থান নেয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অনেক কর্মী-সমর্থক ভবিষ্যতের প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রচার-প্রচারনায় অংশ নিচ্ছেন না।

 

বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে একজন প্রার্থী বলেছেন-৭নং ওয়ার্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠি ভোট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তারা ভয়ভীতির উর্ধে থেকে ভোট উৎসবে তাদের ভোটাধিকার দিতে চান। এক্ষেত্রে রথী মহারথিরা কেন প্রেসারাইজড করবেন তা বোধগম্য নয়। একজন কাউন্সিলর প্রার্থী বলেন-চাপের মধ্যে নির্বাচন করতে হচ্ছে। ভোটারদের জন্য প্রয়োজন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, ভয়-ভীতি-চাপ-হুমকিমুক্ত পরিবেশ। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকতে হবে। কেননা নির্বাচন নিয়ে যেন কেউ ষড়যন্ত্র করতে না পারে। জনগণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চায়। যেখানে জনগণ শংকার উর্ধে থেকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিতে পারে।

 

 

৭নং ওয়ার্ডের আরেকজন প্রার্থী বলেন-নির্বাচন কমিশন অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোট হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। এতে জনগণ আশ্বস্থ তবে ভোটের আগে, ভোটের দিন ও পরে যাতে কোন অপপ্রভাব ও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেটিই সবার প্রত্যাশা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial