Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» অন্ধকার ময়মনসিংহে আসছে আলো «» বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় পতাকা অসম্মান করে ময়মনসিংহে আশরাফ হোসাইনের পোস্টার «» ক’জন অজানা মুক্তিযোদ্ধার খন্ড যুদ্ধ’৭১- দিগারকান্দা ডুপির বাড়ীতে পাকসেনা হত্যার ইতিহাস «» ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের পর আদালতে দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক «» ময়মনসিংহ বিভাগীয় ইসলামি বই মেলার শুভ উদ্ভোধন «» ঋন খেলাপীসহ অন্যান্য দপ্তরে কালো তালিকা ভুক্ত এনজিও টাংগাইলের উদয় কে অসৎ উপায়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কাজ দেওয়ার পায়তারা «» বাণিজ্যমন্ত্রী যা বলেছেন এটা তো কথার কথা- ওবায়দুল কাদের «» জলবায়ু সংকট নিরসনে “কপ”-এর ২৫তম সম্মেলনে বিশ্ব নেতাদের সাথে মিলিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা «» ময়মনসিংহে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা মিছিল ও সমাবেশ «» নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কলমের স্বপ্নভঙ্গ- ৭১’এর মতো আরেকটি যুদ্ধ করতে হবে, তরুণ প্রজন্ম তৈরি থেকো- ফ্যাক্ট রোহিঙ্গা

একেএম ফখরুল আলম বাপ্পী চৌধুরী: আমরা অঙ্গীকার করি এক, কাজ করি আরেক, তাই ফলাফল ভিন্ন। ক্ষমতার মোহ আমাদেরকে গ্রাস করে ফেলেছে।

 

ক্ষমতায় যাবার আর ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখার স্বার্থে ভুলে যায় দেশ জাতির স্বার্থ। বলে ফেলি অনেক কিছু। অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে মাথা নুয়ে দিই। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র, বাংলাদেশ নীতিগতভাবে ক্রাইম,অস্ত্র,মাদক বিশ্ব সেন্ডিকেট থেকে মুক্ত। তাহলে কেন আমরা লেজুর ধরি?

 

রোহিঙ্গা ইস্যুতে গোটা জাতি আজ চিন্তিত। অথচ শুরুতে আমরাই বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে বিশ্ব বাজার থেকে বাহ-বা পাওয়ার জন্যে লাগামহীনভাবে রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছি।  আজ রোহিঙ্গারা সমাবেশ করছে, আন্দোলন করছে কাল যুদ্ধ করবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

 

পশ্চিম মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি রাষ্ট্রবিহীন ইন্দো-আর্য জনগোষ্ঠীই রোহিঙ্গা। ২০১৩ সালে জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করেছে।১৯৮২ সালের বার্মিজ যা আজ মিয়ানমার নাগরিকত্ব আইন অনুসারে তাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়েছে।

 

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টির সময় রোহিঙ্গারা পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহের সাথে একাধিক বৈঠক করে পাকিস্তানের সাথে থাকার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। তাদের এই কাজটা আরাকানের অন্য জাতিগোষ্ঠিরা মেনে নিতে পারে নি। তাদের কপালে “বেঈমান” তকমা লেগে যায়। এদিকে জিন্নাহ রোহিঙ্গাদের প্রস্তাবে অস্বীকৃতি জানান। তখন তারা নিজেরাই রোহিঙ্গা মুসলিম পার্টি গঠন করে আরাকান স্বাধীন করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। ১৯৬২ সালে সামরিক সরকার বার্মায় ক্ষমতা পেলে রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার বেড়ে যায়। ১৯৭৮ আর ১৯৯২ সালে দুইবার তাদের উপর সামরিক অভিযান চালানো হলে ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। পর্যায়ক্রমে ২০১৭ সালে আরো ৭ লক্ষ রোহিঙ্গাদেরকে সাময়িক সময়ের জন্য মানবিক আশ্রয় দেওয়া হয়। লক্ষ্যে ছিল পরবর্তী সময়ে মিয়ানমারের পরিবেশ শান্ত হলে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হবে। তৎকালীন যথাযত সময়েই আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রসমূহ রোহিঙ্গাদের সাময়িক পূর্ণবাসনের লক্ষ্যে যথাযত সহযোগিতার হাত বাড়ালো। পাশাপাশি বৃদ্ধি হলো কূটনৈতিক তৎপরতা। দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও প্রতিষ্ঠান রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাণিজ্যিক প্রজেক্ট রূপরেখা তৈরি করেছে। তাদের অবস্থান এখন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে দৃশ্যমান।

 

বাংলাদেশ অঙ্গীকার করেছিল জোর করে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে না। রোহিঙ্গারা কোথায় ফিরবেন, তাদের দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশকে নিতে হবে।

 

রোহিঙ্গাদের ঘর নেই, জমি-জামা মিয়ানমার সেনা কর্তৃক চীনের দখলে এই অবস্থায় রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরে যাবে এমন বিশ্বাস করাটাও বাংলাদেশ সরকারের ভুল ছিল।

 

বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সঙ্কট থেকে সেদিনই পরিত্রাণ পাবে, যদি  চীন আন্তরিকভাবে চায়। চীন চাইলে, রাশিয়াও চাইবে। জাপান বা ভারতের অবস্থান প্রভাব ফেলতে পারবে না।  চীন সব সময় বাংলাদেশকে বলছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের নীতিকে সমর্থনের কথা বলেছে। গোপনে নয়, প্রকাশ্যে। ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া চলছিল কক্সবাজারে। সেদিনই মিয়ানমারে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মিয়ানমার সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের নীতিকে সমর্থন করেছেন।

 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল মোমেন বেশ ক্ষুদ্ধ। বলেছেন, রোহিঙ্গারা বেশিদিন আরামে থাকতে পারবে না। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ার জন্যে অভিযুক্ত করছেন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে। বলেছেন, যারা রোহিঙ্গাদের ফিরে না যাওয়ার জন্যে উৎসাহিত করেছে, প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রত্যাবাসন বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সরকারের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সচিব সবাই বলেন চীন-রাশিয়া বাংলাদেশের বন্ধু। তো বন্ধুরা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাব, ভেটো দিয়ে বাতিল করে দেয় কেন? বন্ধু ভারত কেন বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে? শ্রীলঙ্কা, নেপালও কেন বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয় না?

 

সাক্ষাৎকারে ইউএনএইচসিআরের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের কাছে প্রশ্ন ছিল, তারা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চায় কী না? উত্তর হ্যাঁ হলে, ২২ আগস্ট না তার পরে ফিরতে চায়? প্রশ্ন দুটি তো সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক করা হয়েছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কী আশা করেছিলেন রোহিঙ্গারা ‘হ্যাঁ’ বলবেন এবং ২২ আগস্টেই ফিরে যেতে রাজি হবেন?

 

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর মাত্র দুইদিন আগে ইউএনএইচসিআরকে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নিতে বলা হলো কেন? প্রত্যাবাসন তারিখ ঠিক করার আগে কেন রোহিঙ্গাদের মতামত জানা হলো না?

 

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে চায় না, ধরে নিলাম সরকারের এই অভিযোগ আংশিক বা সম্পূর্ণ সত্যি। এখন যদি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আন্তরিকভাবে চায় রোহিঙ্গারা ফেরত যাক, তাহলে প্রত্যাবাসন শুরু হবে? মিয়ানমার ও চীনের বর্তমান ভূমিকা অক্ষুণ্ণ থাকলে, রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে রাজি হবেন?

 

রোহিঙ্গাদের কারা ফিরে যেতে নিরুৎসাহিত করল, পোস্টার কারা লাগাল? সরকার বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী তা কখন জানলেন? যখন নিরুৎসাহিত করা হচ্ছিল, পোস্টার লাগানো হচ্ছিল, তখনই ব্যবস্থা নিলেন না কেন? প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ার পর কেন এসব কথা বলছেন?

 

সরকারের বহু সংস্থার লোকজন আছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে। তাদের অগোচরে প্রচারণা চালানো বা পোস্টার লাগাতে পারার কথা নয়। কেউ ধরা পড়ল না কেন?

 

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে, এটাই তো বাংলাদেশের অবস্থান। তাহলে ভাসানচরে আড়াই হাজার কোটি টাকা খরচ করে রোহিঙ্গাদের জন্যে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হলো কেন?

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে। প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ার বিষয়টি যদি সরকারের কৌশল হয়, তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাদের দায়ী করছেন?

 

চলমান সংকটঃ

মহিবুল্লাহ: রোহিঙ্গা সমাবেশে নেতৃত্বদানকারী কে এই মহিবুল্লাহ? তার আসল উদ্দেশ্য কি? ক’দিন আগে প্রিয়া সাহার সাথে আমেরিকায় গিয়ে ট্রাম্পের সাথে দেখা করে এসেছেন। তাকে ট্রাম্প পর্যন্ত পৌছাল কারা? পাসপোর্ট পেল কোথায়?

 

সমাবেশ: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এতগুলা ডিজিটাল ব্যানার আসে কিভাবে ? কারা ছাপিয়ে দিয়েছিল ? হাতে হাতে মোবাইল ফোন কিভাবে আসল, এত সিম পেল কিভাবে ? একই রঙ্গের ইস্ত্রি করা সাদা শার্ট ও এত টি শার্ট কই পেলো ?

 

অস্ত্র: রোহিঙ্গাদের জন্য মুক্তি নামক এন জি ও ৬ হাজার দেশীয় অস্ত্র সরবরাহ করার সময় ধরা পরেছে । এদের পরিচয় কি? যারা এদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়?

 

প্রতিকারঃ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করা সকল এনজিও গুলোর উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হোক, আর ক্যাম্পে যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হউক !

 

মানবাধিকারের কথা বলে যেসব  এনজিও ও ফিরিঙ্গি আমাদের মাথার উপর বসে কাঁঠাল ভাঙতে চাচ্ছে তাদের প্রতিহত করা হউক। আমাদের দেশের স্বার্থে জনসচেতনতায় দ্রুত ছড়িয়ে দিন ।

 

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সকল ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কতৃক পরিচালিত হতে হবে।
  • অনতিবিলম্বে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সকল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওর যাবতীয় কার্যক্রমসেনা বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত করতেহবে।
  • রোহিঙ্গারাআরকোনসভা-সমাবেশকরতেনাপারেন, সেজন্যপ্রয়োজনীয়পদক্ষেপগ্রহনকরতেহবে।
  • রোহিঙ্গারাপ্রত্যার্পনেঅনিচ্ছুকহলে, ত্রানসহায়তাকমিয়ে আনতে হবে।
  • স্থানীয়বাসিন্দাদেরউপরকোনরোহিঙ্গাঅসৌজন্যমূলকআচরনওজান-মালেরক্ষতিকরলে, তাকেঅনতিবিলম্বেজোরপূর্বকমিয়ানমারফেরতপাঠাতেহবে।
  • ক্যাম্পেসকলধরনেরইন্টারনেটওমোবাইলনেটওয়ার্কসেবাবন্ধকরতেহবে।
    বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। অনতিবিলম্বে তা কার্যকর করা বাঞ্চনীয়।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial