Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাকৃবিতে ইভটিজিং, সাময়িক বহিষ্কার চার শিক্ষার্থী «» শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নুরুলের ১০৫ বছর বয়সী মায়ের শেষ ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষাৎ «» সাংবাদিক দারা উদ্দিন দারা সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি «» আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে তুরাগতীরে লাখো মুসল্লি «» না ফেরার দেশে বগুড়া-১ আসনের এমপি আব্দুল মান্নান «» ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন-অর-রশিদের সাথে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় «» কবি ও কথাসাহিত্যিক মুশাররাফ করিমের মৃত্যুতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর সভাপতির শোক প্রকাশ «» বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হলেন «» ঢাবি’র ছাত্রী ধর্ষণকারী গ্রেফতার মজনু ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’: র‌্যাব «» ইরানে ইউক্রেনের উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ক্রুসহ ১৮০ আরোহী নিহত

যুবলীগের নতুন যাত্রায় সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিল

শরাফত আলী শান্ত: আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরশ যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাইনুল হাসান খান নিখিল।

 

আজ শনিবার যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশনে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

 

কাউন্সিলের নেতৃত্ব নির্বাচনের অধিবেশনে কংগ্রেস প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান চয়ন ইসলাম পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে পরশের নাম প্রস্তাব করেন। তখন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ তা সমর্থন করেন।

 

আর কোনো নামের প্রস্তাব না ওঠায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যুবলীগের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন পরশ।

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে শেখ মনির বড় ছেলে পরশ এতদিন রাজনীতি থেকে দূরেই সরিয়ে রেখেছিলেন নিজেকে। শিক্ষকতা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির এই সাবেক ছাত্র।  তার ছোট ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস ইতোমধ্যে রাজনীতিতে এসে সংসদ সদস্য হয়েছেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবী সংগঠনের নেতাও হয়েছেন।

 

পরশ-তাপসের চাচা শেখ ফজলুল করিম সেলিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীতে রয়েছেন। শেখ সেলিমও এক সময় যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন।

 

“সৎ ও মেধাবী নেতৃত্ব তুলে আনার অংশ হিসেবেই পরশের মতো একজনকে রাজনীতিতে আনা শেখ হাসিনার নিজস্ব চিন্তার ফসল।” পঁচাত্তর ট্রাজেডিতে বাবা-মাকে হারানো পরশ-তাপসের বেড়ে ওঠা চাচাদের সঙ্গে। পরশ ধানমন্ডি সরকারি বালক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজের থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

 

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার পর দেশে ফিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা করে আসছিলেন তিনি।

 

অন্যদিকে, মাইনুল হাসান খান নিখিল ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন । তৃণমূল থেকে উঠে আসা এ যুবনেতা বৃহত্তর লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে জড়ান।

 

রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও রাজনীতির মাঠে দেখা যেত না তাকে। এমনকি ছোটভাই তাপসের নির্বাচনী প্রচারেও তাকে খুব-একটা নামতে দেখা যায়নি। কিন্তু এবার ফুপুর নির্দেশ উপেক্ষা করতে না পেরে বাবার গড়া সংগঠনের দায়িত্ব নিতে হল তাকে।

 

শেখ সেলিমের ভগ্নিপতি ওমর ফারুক চৌধুরীও হয়েছিলেন যুবলীগের চেয়ারম্যান; অর্থাৎ পরশের ঠিক আগেই যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছিলেন তারই ফুপা ওমর ফারুক।

 

ওমর ফারুকের দায়িত্ব পালনের মধ্যেই বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয় যুবলীগকে।

 

গত সেপ্টেম্বরে এক সভায় যুবলীগ নিয়ে শেখ হসিনার উষ্মা প্রকাশের পর ঢাকায় ক্যাসিনো বন্ধে র‌্যাবের অভিযানে প্রকাশ পেতে থাকে তাতে জড়িত সংগঠনটির নেতাদের নাম, গ্রেপ্তারও হন কয়েকজন নেতা।

 

শুরুতে এতে ক্ষোভ জানিয়েছিলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক; পরে নিশ্চুপ হয়ে যান তিনি। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে থাকা যুবলীগ নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার অভিযোগ আসতে থাকে তার বিরুদ্ধেও। এক পর্যায়ে শেখ হাসিনার নির্দেশে যুবলীগ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় ওমর ফারুককে, বহিষ্কার করা হয় ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ দাগিদের।

 

সম্মেলন বা কংগ্রেসের দিন তারিখও দিয়ে দেওয়া হয় আওয়ামী লীগ থেকে; তার আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় সাবেক সংসদ সদস্য চয়ন ইসলামকে।

 

সম্মেলন প্রস্তুতির জন্য যুবলীগের যে কমিটি হয়েছে, তাতে আকস্মিকভাবে পরশের যুক্ত হওয়া দেখে সবার আলোচনায় আসে তার নামটি।

 

সম্মেলন প্রস্তুতি দেখতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শুক্রবার যখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গিয়েছিলেন, তখন তার সঙ্গে পরশ ছিলেন। এরপর সম্মেলনের অভ্যর্থনা উপ-কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কার্যালয়ে তিনি গেলে কর্মীরা করতালি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।

 

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর যুবকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গড়ে তুলেছিলেন ‘বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ’। তিনি সংগঠনটির দায়িত্ব দেন নিজের ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ মনিকে।

 

দুই বছরের মাথায় কংগ্রেসে শেখ মনিই যুবলীগের প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে শেখ মনি নিহত হওয়ার পর ১৯৭৮ সালে যুবলীগের পুনর্জাগরণে সংগঠনটির চেয়ারম্যান হন আমির হোসেন আমু।

 

এরপর তৃতীয় কংগ্রেসে মোস্তফা মহসিন মন্টু, চতুর্থ কংগ্রেসে শেখ ফজলুল হক সেলিম, পঞ্চম কংগ্রেসে জাহাঙ্গীর কবির নানক যুবলীগের চেয়ারম্যান হন। ২০১২ সালে ষষ্ঠ কংগ্রেসে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান ওমর ফারুক।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial