Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» করোনাকালীন মানবিক যোদ্ধাদের প্রতি আনুষ্ঠানিক সম্মান প্রদর্শন করবে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব «» বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন, ময়মনসিংহের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা «» কেমন আছে আমাদের সাংবাদিকঃ একেএম ফখরুল আলম বাপ্পী চৌধুরী «» ময়মনসিংহ ডিবি’র বিশেষ অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার «» ময়মনসিংহে ডিবি’র বিশেষ অভিযানে ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীসহ ১৬ জন গ্রেফতার «» ময়মনসিংহের গোয়েন্দা পুলিশ ১৫১ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে «» বিএনপির সন্ত্রাসীরা পাগলা থানা এলাকায় যুবলীগ লীগ নেতার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে «» সাবেক ধর্মমন্ত্রী’র কন্ঠ নকল করে অর্থ আত্মসাৎকারী সেই প্রতারক আবারও গ্রেফতার «» কোভিড-১৯ ও সাইবার সচেতনতাঃ ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ «» ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরো ৯ জনকে আটক করে ময়মনসিংহ ডিবি

করোনা মহামারিতে গুজবের লাশ, সন্দেহ নাকি সত্যি ?

মাটি ও মানুষ: চীন সম্ভবত হাজার হাজার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লাশ পুড়িয়ে ফেলছে! সন্দেহের কারণ করোনা উপদ্রুত উহানের বায়ুমণ্ডলে রহস্যজনক ‘স্মোগ’ বা ধোঁয়াশাকুণ্ডলী দেখা গেছে। সংক্রমণের ভয়ে উহানের অধিবাসীরা গৃহবন্দী। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির। কলকারখানা বন্ধ। তাহলে ধোঁয়া হবে কেন?

 

১০ ফেব্রুয়ারি ব্রিটেনের ডেইলি মেইল এবং ১২ ফেব্রুয়ারি সানডে এক্সপ্রেস পত্রিকা একটি খবর ছেপেছে। খবর না বলে সন্দেহ বলাই ভালো।

 

দ্য সান পত্রিকা লিখল, চীন করোনার আলামত ধ্বংস করছে। দ্য মিরর পত্রিকাও একই কথা ঘুরিয়ে একটি প্রশ্ন রেখে শিরোনাম করল। সাধারণ্যে এ রকম শক্ত-পোক্ত বিশ্বাস আছে যে চীন তথ্য লুকায়। গোপনে অনেক অপকর্ম করে। সুতরাং খবরটি চাউর হতে সময় লাগল না।

 

ট্যাবলয়েড ছাড়াও অনলাইন নিউজ নামে অসংখ্য ওয়েবসাইট ওঁত পেতে থাকে চমকদার ও চটকদার গালগল্পের অপেক্ষায়। উইন্ডি ডট কম নামের একটি টুইটার অ্যাকাউন্টে মিলল আতঙ্ককর আরেক খবর। কয়েকটি স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যাচ্ছে যে উহানে কড়া আগুন জ্বলছে। বেশ বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা স্যাটেলাইট চিত্র। খবর হয় যে উহানের বাতাসে মারাত্মক ক্ষতিকর মাত্রার সালফার ডাই-অক্সাইড জমা হচ্ছে। কেমিক্যাল ঢেলে হাজার হাজার মৃত প্রাণী পোড়ালে এমনটি হওয়ার কথা। সেই থেকে দুনিয়াজোড়া একটি অনুমান শাখায়-প্রশাখায় বেড়ে উঠেছে যে সংক্রমণ ঠেকাতে লাশ তো বটেই, চীন সম্ভবত করোনায় আক্রান্ত মৃতপ্রায় রোগীদেরও পুড়িয়ে মারছে।

অনুসন্ধানে জানা গেল যে স্যাটেলাইটের ছবিগুলো আসলে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার ‘জিইওএস-৫’ নামের একটি পরিবেশদূষণের পূর্বানুমানের মডেলিংয়ের ছবি। এই মডেলিং বা সিমুলেশনটি ভবিষ্যতে বায়ুমণ্ডলে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অস্তিত্ব ও পরিবেশ বিপর্যয় কতটা ভয়াবহ হতে পারে, সেই ধারণা দেয়। এর সঙ্গে করোনাভাইরাসের বা আগুন জ্বলার বা স্মোগ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তা ছাড়া উহানের বাতাসে সালফার ডাই–অক্সাইডের ঘনত্ব আগে থেকেই বিপজ্জনক পর্যায়ের।

গণযোগাযোগ মাধ্যমগুলোর তথ্যকে তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য ধরা হয়। এখনকার সময়টি গণযোগাযোগমাধ্যমের বাড়বাড়ন্তকাল। ফলে পত্রিকায় প্রকাশ পাওয়া ‘ব্যাপক সংখ্যক শব পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে’ বা ‘মৃতের সংখ্যার প্রকৃত তথ্য গোপন করা হচ্ছে’ ইঙ্গিতগুলো আমজনতা মুহূর্তেই আমলে নিয়ে নিচ্ছে। আগে গুজব ছড়াত ব্যক্তির মাধ্যমে—কানে কানে। গুজব ছড়াতেও বেশ সময় লাগত। এ সময়ে পত্রপত্রিকা, টিভি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে মুহূর্তেই গুজবগুলো শাখায়-প্রশাখায় ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। তালিকা করলে কয়েক ডজন বিশ্বাসযোগ্য গুজব মিলবে, যেগুলো সংবাদমাধ্যমের হাতে তৈরি। সেগুলোর প্রতিটির উল্লেখ পত্রিকার এই অপরিসর কলামে সম্ভব নয়। তবে একটির উল্লেখ আবশ্যক। কমবেশি গুজবটি দুনিয়াজুড়ে চাউর হয়েছে যে জীবাণু অস্ত্র তৈরি করতে নেমেছিল চীন। ভুলবশত সেটি ল্যাবরেটরির বাইরে চলে আসে। এই গুজবের দ্বিতীয় সংস্করণ এই যে কানাডার একটি অণুজীব গবেষণাগারে এক চীনা দম্পতি বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁরা এই সুযোগে গুপ্তচরবৃত্তিও করতেন। [গুজবে যেমনটি হয়—কানাডার নাকি চীনের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তিতে নিয়োজিত ছিলেন, সেটি আর জানা যাচ্ছে না] চীনে ফেরার সময় তাঁরা এই ভাইরাস সঙ্গে নিয়ে আসেন।

 

বাংলাদেশের গ্রামসমাজে ‘ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পোড়া’ বলে একটি লোককথা চালু আছে। শেষের দুই ধরনের গুজবে আন্তর্জাতিক রাজনীতি আছে। এই মানবিক দুঃসময়েও চীনবিরোধী আন্তর্জাতিক শক্তি চীনকে আরও বিপাকে ফেলার সুযোগ খুঁজছে। জীবাণু অস্ত্রতত্ত্ব প্রথমে ছড়ায় ইজরায়েলি গণমাধ্যম। তারপর এখনো চীনা বিজ্ঞানীদের অনেকের বরাতে বিভিন্ন মাধ্যমে এই তত্ত্বের সত্যতা প্রমাণের চেষ্টা চলছে। অস্ত্রবিদ্যা বিষয়ে চীনও দুষ্ট দেশ। জীবাণু অস্ত্র নির্মাণের চেষ্টা যে করছে না, সেটিও জোরগলায় বলা যায় না। তবে করোনাভাইরাসটি আবিষ্কারের বিষয় নয়। এটি হাজার হাজার বছরের পুরোনো ভাইরাস। আগে অন্তত এই ভাইরাসের ছয়টি প্রকরণ দেখা গেছে। বর্তমানেরটি সপ্তম প্রকরণের এবং আগেরগুলোর চেয়ে ভয়াবহ ও বিধ্বংসী। সব ভাইরাসের নতুন প্রকরণের চরিত্র এ রকমই। নতুনটি আগের চেয়ে বেশি শক্তিধর হয়ে ওঠে। যতক্ষণ প্রাণিজগৎ তাকে মোকাবিলা করার মতো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তুলতে না পারে, ততক্ষণই সে তার ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যেতে থাকে। যেহেতু এটি পুরোনো ভাইরাস, জীবাণু অস্ত্রতত্ত্বটিকেও কমবেশি গুজব বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে।

 

কিন্তু মানুষ কেন অনায়াসে সবকিছু বিশ্বাস করে বসবে? প্রথমত, নৌম চমস্কির ভাষ্য—মিডিয়ার ‘ম্যানুফেকচারিং কনসেন্ট’ বা ‘সহমত নির্মাণ’–এর সক্ষমতার প্রমাণ দেখছি এখানেও। এই করোনা উপদ্রুত দুঃসময়েও। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বলে সারা বিশ্বের শিক্ষিত মানুষজনও সহজেই বিশ্বাস করে নিচ্ছেন। পত্রপত্রিকার হাত থেকে গুজবগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর হাতে যায়। এখানে এসে পাতায়-লতায় ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে আতঙ্ক ও মনোরঞ্জনের এক অদ্ভুত মিশেলে নতুন নতুন বয়ানের জন্ম হয়। তা–ও অতি অল্প সময়েই। সেখানে রাজনীতির বিষয় যুক্ত হলে গুজব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অপরিসীম ক্ষমতাধর চীনা কর্তৃপক্ষ এবার নিজ দেশের ভেতরেই গুজব সামলাতে পারেনি।

 

দ্বিতীয়ত, যখন সত্য জানার উপায় থাকে না, তখনই গুজব ছড়ায়। সব দেশের বেলাতেই কথাটি সত্য। রাষ্ট্র সত্য না বললে বা অন্যদের সত্য বলতে না দিলে জনগণ বিকল্প সত্য বিশ্বাস আনতে শুরু করে। চীনে তথ্য ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকায় চীনা জনগণ নিজেরাই সরকারি তথ্য বিশ্বাস করে না। চীনা সরকার সেই ভুলের মাশুল গুনছে এখন। আন্তর্জাতিকভাবে চীনের ‘মিথ্যাবাদী রাখাল’ পরিচিতি তৈরি হয়ে যাওয়ার কারণে বিশ্বময় করোনাভাইরাস-ভীতি গণ–আতঙ্কের রূপ নিয়েছে। কানাডা থেকে করোনাভাইরাস এসেছে, তথ্যটি গণচীনের ভেতরেই সংবাদের কড়াকড়ির মধ্যেও মাত্র দুই দিনে সব দেশের ভেতর ছড়িয়ে পড়েছিল। উইচ্যাটে তথ্যটি শেয়ার হয়েছিল ৪৮ হাজার বারের মতো। সাম্প্রতিক কালে কানাডার সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত শীতল। কারণ, কানাডা বিখ্যাত হুয়াওয়ে কোম্পানির মার্কেটিং ডিরেক্টরকে পাকড়াও করতে যুক্তরাষ্ট্রকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। এই সম্পর্ক-শীতলতাকে মাথায় রেখে অনেক কানাডীয় নাগরিকও গুজবটি গুজব না–ও হতে পারে মনে করেন। ভাইরাসটির ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের জন্য এই সময়ে যখন সারা বিশ্বের সব কটি দেশের সমন্বিত চেষ্টা প্রয়োজন, তখন গুজবের ডালপালা এসব অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক বিদ্বেষকে না কমিয়ে বরং আরও উসকে দিচ্ছে প্রতিদিনই।

 

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যে প্রতিটি মহামারিতেই গুজব বাতাসের আগে ছড়ায় এবং গুজবগুলো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঠেলে দেয়। মাত্র সাত-আট দশক আগে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে ওলাওঠা রোগটি ছড়াত। একটি গুজব কীভাবে যেন প্রতিষ্ঠাই পেয়ে গেল যে গ্রামসমাজে ওলাবিবি নামক এক ডাইনি নামলেই ওলাওঠা মহামারির রূপ নেয়। খোঁড়া কুকুরদের ওপর ভর করে ওলাবিবি গ্রামে ঘুরে বেড়ায়। ফলে ওলাওঠা দেখা গেলেই খোঁড়া হোক বা না হোক, নির্বিচারে কুকুরনিধন শুরু হয়ে যেত। কুকুর নিধনযজ্ঞ শেষে শুরু হতো ডায়েরিয়া–কলেরার মহামারি। গ্রামে স্যানিটেশনের ব্যবস্থা ছিল না। বিষ্ঠাভোজী কুকুরের অভাবে যত্রতত্র করা কাঁচা পয়ঃকর্ম পরিষ্কার হতো না। সেগুলোতে মাছি বসত। পানিবাহিত হতো। মাছি বসত খাবারে। ফলাফল, কলেরা-ডায়েরিরার মহামারি। এখন একই রকম গুজবে বাদুড় ও অন্যান্য পাখিনিধন শুরু হয়েছে। ফলাফল ভালো হওয়ার কথা নয়। সম্প্রতি খবর বেরিয়েছে যে বাদুড় মারার সঙ্গে সঙ্গেই চীনে পঙ্গপালের উৎপাত বাড়ছে। বাদুড়ের অভাবে পঙ্গপাল বাড়লে ব্যাপক ফসলহানি ঘটবে। খাদ্যনিরাপত্তা ব্যাহত হবে। মশকজাতীয় পোকামাকড় বাড়বে। ফলে ডেঙ্গু বাড়বে। ম্যালেরিরা ফিরে আসবে। গুজব যে কী ভয়াবহ মহামারির জন্ম দিতে পারে, সেটি দেখতে পাওয়া যায় মধ্যযুগে ইউরোপ ও ইউরোপের উপনিবেশগুলোয় কয়েক কোটি মানুষের ‘ব্ল্যাক ডেথ’ বা প্লেগে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে।

 

ত্রয়োদশ শতকের মাঝামাঝি একটি সময়ে ইউরোপে কালো বিড়ালনিধন শুরু হয়। কালো বিড়ালে ভর করে শয়তান বা অপ-আত্মা সমাজে নানা অনিষ্ট তৈরি করে—এই ছিল কালো বিড়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ। গুজবটির পেছনের দীর্ঘ সমাজ-নৃবৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বিতর্ক এড়িয়ে ফলাফলটি বলা যাক। জনমনস্তত্ত্ব এমনই যে ভয় পেলে বাছবিচার ভুলে যায়। কালো বিড়াল, সাদা বিড়াল না দেখে বিড়াল দেখামাত্রই নিধনযজ্ঞ শুরু হলো। বিড়াল মরে সাফ হয়ে যাওয়ায় ইঁদুরের দখলে চলে গেল গোটা ইউরোপ। কোটি কোটি ইঁদুর। ফসল কাটে, খাবারে মুখ দেয়, মানুষও কাটে। হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালার গল্প সম্ভবত সেই সময়ের ছায়াতেই জন্ম নিয়েছিল। ইঁদুরের গায়ে উকুনের মতো একটি পরজীবী অণুজীবই ছিল প্লেগের জীবাণু। ফলে লাখে লাখে মানুষ মরতে শুরু করল ইউরোপে। একই সময়ে উপনিবেশ তৈরির জন্য নতুন নতুন জায়গার অন্বেষণে সমুদ্রপথে বেরিয়ে পড়েছিল ইউরোপীয়রা। খাবার-পানীয়র বাক্সপেঁটরায় চড়ে জাহাজগুলোতে উঠে পড়েছিল অসংখ্য ইঁদুর। ফলে প্লেগের দাপটে জাহাজে মরেছিল জাহাজিদের বড় অংশ। নতুন ভূমি দখল করার পর নব্য উপনিবেশগুলোর জমিনেও নেমে পড়েছিল ইঁদুরের দঙ্গল। ফলে উপনিবেশগুলোতেও প্লেগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল। বিড়াল–সংক্রান্ত গুজবটি জনমনস্তত্ত্বে যে গণ–আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল, বর্তমান অবস্থাটি সে রকম না হলেও সতর্ক হওয়ার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। নয়তো করোনাভাইরাস প্রতিরোধের চেষ্টাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে গুজবনির্ভর করোনাভীতি এবং বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া।    (তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial