Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» করোনাকালীন মানবিক যোদ্ধাদের প্রতি আনুষ্ঠানিক সম্মান প্রদর্শন করবে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব «» বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন, ময়মনসিংহের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা «» কেমন আছে আমাদের সাংবাদিকঃ একেএম ফখরুল আলম বাপ্পী চৌধুরী «» ময়মনসিংহ ডিবি’র বিশেষ অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার «» ময়মনসিংহে ডিবি’র বিশেষ অভিযানে ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীসহ ১৬ জন গ্রেফতার «» ময়মনসিংহের গোয়েন্দা পুলিশ ১৫১ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে «» বিএনপির সন্ত্রাসীরা পাগলা থানা এলাকায় যুবলীগ লীগ নেতার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে «» সাবেক ধর্মমন্ত্রী’র কন্ঠ নকল করে অর্থ আত্মসাৎকারী সেই প্রতারক আবারও গ্রেফতার «» কোভিড-১৯ ও সাইবার সচেতনতাঃ ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ «» ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরো ৯ জনকে আটক করে ময়মনসিংহ ডিবি

স্প্যানিশ ফ্লু এক ভাইরাসেই ১০ কোটি মানুষের মৃত্যু!, কত দূর যাবে করোনা

শরাফত আলী শান্ত: ১৯১৮-১৯১৯ সালে মহামারি স্প্যানিশ ফ্লু নামের এক ভাইরাসে আক্রান্ত হয় বিশ্বের প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। এই ফ্লু’টি কারো পুরো পরিবারকেই নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে। অনেকেই হারিয়েছে তার বাবা-মাকে আবার অনেকে সন্তানদের। মৃতদেহের স্তূপ জমতে শুরু হয়। চারপাশে যেন লাশ পচা গন্ধ! আবার অনেকের পরিবার প্রিয় সদস্যকে কবর শায়িত করেন।

 

স্প্যানিশ ফ্লু ভাইরাসটি স্পেনেই এই ফ্লু প্রথম থাবা বসায়। বিশ্ব অর্থনীতিতেও এই মহামারি ফ্লু ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কলকারখানা ও কোম্পানির কর্মচারীরা অসুস্থ থাকায় ব্যবসা বন্ধ হয়ে পড়ে। কিছু জায়গায় ফসল তোলার মতো পর্যাপ্ত খামার শ্রমিকও ছিল না।

 

১৯১৮ সালে এই ফ্লু মহামারি আকার ধারণ করে। যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রাণঘাতী ভাইরাস হিসেবে বিবেচিত। কারণ এই ভাইরাসের কবলে প্রাণ যায় বিশ্বের ১০০ মিলিয়ন মানুষের। আক্রান্ত হন ৫০০ মিলিয়ন মানুষ। যা তখনকার বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এর মধ্যে মার্কিনদের সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৭৫ হাজার। ১৯১৮ সালে এই ফ্লু’টি দ্রুত ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

 

এই ঘাতক ফ্লু থেকে বাঁচার কোনো উপায় জানা ছিল না কারো। তখন এই রোগের চিকিত্সার জন্য কোনো কার্যকরী ওষুধ বা ভ্যাকসিন ছিল না। তাই ব্যক্তিগত সচেতনতা ও পরিষ্কার থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল সবাইকে। যেসব দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছিল সেসব স্থানে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল মাস্ক ব্যবহার করার। ১৯১৮-সালের এই স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি পর্যায়ে চলে গেলে নিউইয়র্কের স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে জনবহুল অঞ্চলে মানুষের চলাচল বন্ধ করা হয়। পাশাপাশি স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন দোকানও বন্ধ করে দেয়া হয়।

 

ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু একটি ভাইরাস। যা শ্বাসযন্ত্রের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটায়। ফ্লু ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময়ও বাতাসের মাধ্যমে ক্ষতিকর ভাইরাসটি অন্যকেই সংক্রামিত করতে পারে। এমনকি ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস অন্য কেউ স্পর্শ করে ওই হাত দিয়ে তার মুখ, চোখ বা নাক স্পর্শ করলেও সে সংক্রামিত হতে পারে।

 

১৯১৮ সালের বসন্তের শেষের দিকে আঘাত হানে এই মহামারি ফ্লু’টি। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে শারীরিক কোনো জটিলতা প্রকাশ পায়নি। সামান্য ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি, ক্লান্তি বোধ এসব লক্ষণই প্রকাশ পেয়েছিল। একেবারেই সাধারণ সর্দি-কাশির সমস্যার মতোই এর লক্ষণ ছিল। ওই বছরেরই শরৎকালে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক সংক্রমণে অনেকেই মারা যান। এতে আক্রান্তরা কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনের মধ্যেই মারা গিয়েছিলেন। আক্রান্তদের ত্বক নীল হয়ে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে ফুসফুস পানিতে ভরে যাওয়ায় শ্বাস বন্ধ হয়ে তারা মারা যায়। ১৯১৮ সালে মাত্র এক বছরেই মার্কিনদের গড় আয়ু ১২ বছর কমে গিয়েছিল।

 

এটি স্প্যানিশ ফ্লু হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। যেহেতু স্পেনবাসীদের উপরই সর্বপ্রথম এই রোগটি থাবা বসায়। জানা যায়, স্পেনের রাজা আলফোনসো দ্বাদশও এই ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

 

১৯১৮ সালের এই প্রাণঘাতী ফ্লুতে ছোট, বড়, যুবক ও যুবতী এমনকি বয়স্করাও আক্রান্ত হতে থাকেন। তবে স্প্যানিশ ফ্লুর আক্রমণে সবচেয়ে বেশি মারা যান ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অনেক মার্কিন সেনাও মারা যান। জানা যায়, যুদ্ধে নিহত হওয়ার চেয়ে এই ফ্লুতেই বেশি সেনা মারা গিয়েছিলেন। ইউএস নেভির চল্লিশ শতাংশ সৈন্য ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং সেনাবাহিনীর প্রায় তিন শতাংশ। ধারণা করা হয়, জাহাজ, ট্রেনে ও বিমান পথে যাতায়াতকালেই বিশ্বজুড়ে এই ঘাতক ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

 

১৯১৮-এর ফ্লু মহামারি আকারে পৌঁছায়। অন্যদিকে চিকিত্সক এবং বিজ্ঞানীরা আক্রান্তদের বাঁচাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিলেন। তারা কোনোভাবেই নিশ্চিত হতে পারছিলেন না এটি কীভাবে ঘটেছে? কিংবা কীভাবে এই ফ্লু’টি ঠেকানো সম্ভব? তখন এই ফ্লুর জন্য কার্যকরী কোনো ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিবায়োটিকও ছিল না। স্প্যানিশ ফ্লু প্রতিরোধে প্রথম লাইসেন্সযুক্ত ভ্যাকসিনটি ১৯৪০ এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশ পায়। সেখানকার বিভিন্ন অঞ্চলে চিকিত্সক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের অভাবেই চলছিল হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো।

 

কারণ রোগীদের উপচে পড়া ভিড় বাড়ছিল। এদের মধ্যে আবার অনেক চিকিত্সাকর্মীরাও এই ঘাতক মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। কিছু অঞ্চলের হাসপাতালগুলো রোগীদের ঠাঁই দেয়ার জায়গা স্বল্পতায় বিভিন্ন স্কুল, বেসরকারি অফিস এবং অন্যান্য ফাঁকা বড় বাড়িগুলো বেছে নেয়া হয়। সেগুলোতেই অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে রোগীদের চিকিৎসা চলে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় মেডিকেলের শিক্ষার্থীরাও রোগীদের বাঁচাতে মাঠে নেমে পড়েন।

 

১৯১৯ সালের গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খরতাপে এই ফ্লুর মহামারি ভাব কেটে যায়। এরইমধ্যে আক্রান্তদের সবাই মারা গিয়েছিলেন। এর প্রায় ৯০ বছর পর ২০০৮ সালে গবেষকরা স্প্যানিশ ফ্লুর মারাত্মক প্রভাব সম্পর্কে জানতে সক্ষম হন। তারা আবিষ্কার করেন, তিনটি জিন দ্বারা গঠিত একটি দলীয় ভাইরাস এটি। যা ব্রঙ্কিয়াল টিউব এবং ফুসফুসকে দুর্বল করার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়। এই গবেষণার মাধ্যমেই মহামারি ফ্লু’টি শনাক্ত করে এর নাম দেয়া হয় ‘এইচ ওয়ান এন ওয়ান ভাইরাস ।

 

১৯১৮ সালে পর ১৯৫৭ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত আরো এক ইফ্লুয়েঞ্জা মহামারিতে রূপ নেয়। অতঃপর বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষ এতে মারা যায়। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই মারা যায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। এরপর আবারো ১৯৬৮ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঘটা আরো একটি মহামারিতে বিশ্বের প্রায় ৩ মিলিয়ন মানুষ মারা গিয়েছিল। যাদের মধ্যে প্রায় ৩৪ হাজার মার্কিন নাগরিক ছিলেন।

 

২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এইচএনএন ১ বা সোয়াইন ফ্লু মহামারি আকার ধারণ করে। সে সময় আরো ১২ হাজার মার্কিন মারা গিয়েছিলেন। সর্বশেষ চীনের উহান থেকে শুরু করোনাভাইসে মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যাও হু হু করে বাড়ছে।

 

 

ছবি: রয়টার্সপ্রথমেই কিছু আশার কথা। করোনাভাইরাস নিয়ে অধিকাংশ গুজবই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এটা জীবাণু অস্ত্র নয় বা চীনও হাজার হাজার মানুষের লাশ গোপনে পুড়িয়ে ফেলছে না। এর মধ্যে নতুন কথা ভাইরাল হলো, এক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির সঙ্গে নাকি করোনাভাইরাসের ঘটনা মিলে গেছে। আমেরিকার বেস্ট সেলার থ্রিলার লেখক ডিন কুন্স ১৯৮১ সালে একটি বই লেখেন। বইয়ের নাম ‘দ্য আইস অব ডার্কনেস’। তাঁর ভক্তরা বলছেন, তিনি এই করোনাভাইরাসের বিষয়টা সেই ৩৯ বছর আগেই হুবহু বইতে লিখেছেন। তাঁর বইয়ে একটি জীবাণু-অস্ত্রের কথা লেখা আছে, ‘উহান-৪০০’। চীনের উহান শহরের গবেষণাগারে এটা চীনারা তৈরি করেছে বলে তিনি লিখেছেন। তা নিয়ে আবার অনেক জল্পনাকল্পনা।

 

রয়টার, নিউইয়র্ক টাইমস এবং অন্যান্য সংস্থা বিষয়টির সত্য-মিথ্যা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করে। তাতে বের হয়, ডিন কুন্সের বইয়ের সঙ্গে কিছু মিললেও বেশির ভাগ করোনাভাইরাসের সঙ্গে মেলে না। তিনি উহান শহরের কথা বলেছেন, ২০২০ সালের কথা বলছেন, সেগুলো মিলেছে। তবে তিনি বলছেন, এই ভাইরাস অন্য প্রাণীর শরীরে বাঁচতে পারে না, সেটা ভুল। করোনাভাইরাস ল্যাবরেটরি থেকেও বের হয়নি। তারপর তাঁর ভাইরাস-অস্ত্র উহান-৪০০, যেটাকে তিনি ১৯৮১ সালে প্রথম সংস্করণে লিখেছিলেন গোর্কি-৪০০, শতভাগ মানুষকে মেরে ফেলতে পারে। করোনাভাইরাসের বেলায় তা ঠিক নয়, করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ। কাজেই মিলটা বেশ অদ্ভুত হলেও অমিলটাও অনেক বেশি। পরিশেষে রয়টার সিদ্ধান্ত দিয়েছে, ডিন কুন্সের ভক্তদের এই দাবি আংশিক ভুল। ভক্তরা অবশ্য ভুলটা দেখতে পান না, সামান্য শুদ্ধের অংশটুকু নিয়েই মাতোয়ারা থাকে। লেখক কুন্স নিজে এ নিয়ে কিছুই দাবি করেননি।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্য সব মহামারির মতোই, করোনাভাইরাসের মহামারি এবং আতঙ্ক একদিন অবশ্যম্ভাবীভাবে শেষ হবে। এর আগে সার্স (SARS), তারপর সোয়াইন ফ্লু (H1N1) মহামারিও অবদমিত হয়েছে। আরও আগে, অনেক ভয়াবহ মহামারি ছিল ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু। স্প্যানিশ ফ্লু মহামারিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পাঁচ থেকে দশ কোটি মানুষ মারা যায়। সেনাশিবিরে এই ভাইরাস ছড়ায় বেশি। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে যখন এক জায়গায় গাদাগাদি করে সৈনিকদের থাকার প্রয়োজন পড়ল না, তখন সেই স্প্যানিশ ফ্লুর সংক্রমণও আপনা-আপনি কমে গেল।

 

করোনাভাইরাস যে রোগটি ঘটাচ্ছে, তার নাম কোভিড-১৯। এটা আসলে একধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু। একই লক্ষণ। সাধারণ ফ্লুর সঙ্গে এর অনেক মিল এবং বেশ কিছু তফাতও রয়েছে। এটা সহজে একজনের থেকে আরেকজনের কাছে চলে যাচ্ছে, ওষুধ নেই। কীভাবে এই মহামারি শেষ হবে? বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি সম্ভাবনার কথা বলছেন। অথবা বলা যায় সব সম্ভাবনাই বিবেচনা করছেন।

 

১. গ্রীষ্ম চলে আসায় করোনাভাইরাস তাপমাত্রার কারণে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
সেটা হতে পারে। তবে এই ভাইরাস নতুন, এর গতি-প্রকৃতি বিজ্ঞানীরা এখনো পুরোপুরি জানতে পারেননি। যদি গ্রীষ্মে সেটা নিজেই সরে যায়, তবে আবার হেমন্তে অথবা শীতে সে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

 

২. সব সংক্রমিত মানুষকে আলাদা করে রাখা (কোয়ারেন্টাইন) যেন আর সংক্রমণ না হতে পারে।
সেটা খুবই কঠিন। প্রায় অসম্ভব, কারণ সব আক্রান্ত মানুষকে খুঁজে খুঁজে আলাদা করা সম্ভব নয়।

 

৩. কোনো প্রতিষেধক বের করে সব সুস্থ মানুষকে সেই টিকা দেওয়া।
প্রতিষেধক নিয়ে খুব বেশি আশা বিশেষজ্ঞরা দেখছেন না। একটি প্রতিষেধক পরীক্ষাগার থেকে শুরু করে বাজারে আনতে দশ বছরও লেগে যেতে পারে। প্রথমে আবিষ্কার করতে হবে, তারপর ইঁদুর–গিনিপিগের ওপর প্রয়োগ করে পরীক্ষা চালানো, সেখানে সফল হলে কিছু স্বেচ্ছাসেবী মানুষের ওপর প্রয়োগ করে ফলাফল খুঁটিয়ে দেখা। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি না, সেটা বের করা, এসব সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। অসুখ হয়তো তেমন বড় ক্ষতিই করত না, কিন্তু ভুল হলে ওষুধই মানুষ মেরে ফেলবে। তবে তাঁরা বলছেন, এক বছরের মধ্যে কিছু একটা বের করা যাবে। কয়েক মাস হয়েই গেছে, আর হয়তো কয়েক মাসের মধ্যে প্রতিষেধক টিকা আসছে।

 

৪. সবার হয়ে গেলে আর নতুন কোনো সম্ভাব্য মানুষ থাকবে না, যার কাছে ভাইরাসটা গিয়ে সুবিধা করতে পারবে। কারণ, ভাইরাস একবার আক্রমণ করলে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে, পরেরবার আর অসুখটা হবে না। এমনটা যে হবেই, তা–ও বিশেষজ্ঞরা হলফ করে বলতে পারছেন না। নতুন ভাইরাস, অনেক কিছু অজানা রয়ে গেছে।

 

বোঝাই যাচ্ছে, ওপরের কোনোটাই এককভাবে হবে না। সব কটি একযোগে হয়তো এই সংকট থেকে উদ্ধারের কাজে লাগবে। এখন সংকটটা কী বা কত বড়, সেটা দেখা যাক।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial