,
সংবাদ শিরোনাম :
«» রোগীদের সুস্থ্য করার হাসপাতাল যখন নিজেই অসুস্থ্য :ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে «» বিএনপির তর্জন-গর্জন শোনা যায়, বর্ষণ দেখা যায় না: সেতুমন্ত্রী «» বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাকৃবি’তে গবাদিপশুর চিকিৎসা ও ভ্যাক্সিন প্রদান কর্মসূচি «» সম্মেলন ডেকে হেফাজতের আমির নির্বাচন করা হবে: বাবুনগরী «» নারকেলগাছে উঠে পড়লেন মন্ত্রী, গাছে বসেই সংবাদ সম্মেলন করলেন «» যে কারণে ইউএনও ওয়াহিদা জনপ্রশাসনে ওএসডি, স্বামী মেজবাউল হোসেনকে বদলি «» তিতাসের ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেপ্তার: মসজিদে বিস্ফোরণ «» মনে কষ্ট নিয়ে চলে গেলেন আল্লামা শফী, হাটহাজারীতে জানাজার পর দুপুরে দাফন «» আবারো ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকার অঙ্গীকার সৌদি আরবের «» আগামী বছরের শুরুতে ঢাকা সফর করবেন এরদোয়ান

বিএনপির সন্ত্রাসীরা পাগলা থানা এলাকায় যুবলীগ লীগ নেতার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে

স্টাফ রিপোটারঃ ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও এর পাগলা থানার টাংগাবো ইউনিয়ন এলাকায় এখনো বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের আধিপত্য রয়ে গেছে। তারা এলাকায় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে চরম আতংকের সৃষ্টি করে রেখেছে। গতকাল টাংগাবো ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক যুবলীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির টুটুলের ৪ কাঠা জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় বিএমপি সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি স্থানীয় লোকজনের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, গতকাল ভোরে গফরগাঁও উপজেলা, পাগলা থানার, টাংগাবো ইউনিয়নের, ডাকবাংলো বাজার জামবিল এলাকার ৪ কাঠা জমির পাকা ধান নূরনবী, ইয়াছিনুর, খায়রুর, রমজান আরো ৪/৫ জন মিলে দেশীয় অস্রে সজ্জিত হয়ে কেটে নিয়ে যায়। বংশানুক্রমে সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির টুটুলের পরিবারের শত বছরের দখলীয় সম্পত্তির ধান কেটে নেয়ায় স্থানীয় লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

টাংগাবো ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রবি জানান, সন্ত্রাসীরা বিএনপির লোক। গতকাল তারা জোর করে অন্যায়ভাবে স্থানীয় সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির টুটুলের ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিয়ে যায়।

স্থানীয় মেম্বার জানান সন্ত্রাসীরা দাঙ্গাবাজ। এদের কেউ কেউ বংশানোক্রমে ডাকাত। টুটুলের ধান কেটেছে ভোর থেকে সকাল ৮ টা পর্যন্ত। এটা অন্যায় বলে তারা মন্তব্য করেন।

গফরগাঁও এর পাগলা থানার টাংগাবো ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির টুটুল বলেন, ১৯৮৭ সালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। এরপর বিগত ১৪ বছর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। ২০০১ সালে তৎকালীন বিএনপি-জামাত সরকার আমাকে অত্যাচার, নির্যাতন করে। পান্না হত্যা মাললার আসামি করে ভরা নদীর মাঝখান থেকে তুলে এনে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। দীর্ঘ ৩ মাস পড়ে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আবারও বিএনপি-জামাত সরকার আমাকে নির্যাতন করে। এখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় তারপরও বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীরা আমার ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিয়ে গেল। আমি অবাক হই ওরা এত সাহস কোথা থেকে পায়। তিনি জানান, মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial