,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ২০৩০ সালের মধ্যে সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় হবে ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী «» ছোটদের সঙ্গে বড়রাও ! স্বাস্থ্যের তলায় তলায় দুর্নীতি বছরের পর বছর «» ধোবাউড়ায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিত করণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্টিত «» কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য গ্রেপ্তার: উত্তরখানে সোহাগ হত্যা «» ধর্ষণের অভিযোগটি ভিপি নূরের বিরুদ্ধে নয় «» সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মূল ঘটনার বিকৃতভাবে উপস্থাপন করায় প্রতিবাদ «» সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা কি ? «» ভালুকায় সাংবাদিক নিগ্রহের বিচার দাবিতে মানববন্ধন «» ইসরায়েল ইস্যুতে প্রকাশ্যে সৌদি বাদশাহ-যুবরাজের বিরোধ! «» শতকোটি টাকা, অফিসে এলাকায় সাম্রাজ্য স্বাস্থ্য-শিক্ষা ডিজির ড্রাইভারের

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মাটি ও মানুষ: “ময়মনসিংহের গৌরিপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাৎ করে বদলি, সার্ভিস বুক হারানো রহস্যজনক” শিরোনামে thechange24.com, ittefaq.com.bd, rajgouripur.com অনলাইন পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

 

 

২০১৮-১৯ অর্থবছরে শিক্ষা অফিস থেকে তাগাদা দেওয়ার পরই নিজ বিদ্যালয়ের (৪৫নং পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৌরিপুর,ময়মনসিংহ)  একাউন্ট থেকে রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে মেরামতের ৪০০০০/- টাকা উত্তোলন করে যথারীতি কাজ সম্পূর্ণ করে যথাসময়ে বিল ভাউচার শিক্ষা অফিসে জমা দেই। এমনকি শিক্ষা অফিসার জনাব মনিকা পারভীন ও সহকারী শিক্ষা অফিসার জনাব মুজাহিদুল ইসলাম মহোদয় তখন কাজ পর্যবেক্ষণও করে আসেন।

 

 

বদলি হয়ে ২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে রিলিজ নিয়ে ঢাকা মিরপুরে ২৬নং তাফলিয়া সঃপ্রাঃবিঃ যোগদান করি। তখন পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় আমাকে ৪০০০০ টাকার জন্য কোন প্রশ্ন উত্তোলন করেননি।

 

 

পত্রিকায় বলা হয়েছে যে, ৫আগষ্ট ২০২০ সালে পত্রাদেশ জারি করা হয়েছে ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে সরকারী কোষাগারে টাকা ফেরত দেয়ার। অথচ আজ অবধি আমি কোন চিঠিই পায়নি। এমনকি যে কাজ ২০১৯ সালের জুলাই/আগষ্ট মাসে সম্পন্ন হয়ে গেছে তা ২০২০ সালের ৫ আগষ্ট মৌখিকভাবেই হউক বা পত্রাদেশই হউক ফেরত চাওয়াটা কতটুকু যৌক্তিক তা আমার বোধগম্য নয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রুটিন মেরামতের বরাদ্দকৃত কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করে বিল ভাউচারাদি দাখিল করার পরেও ২০২০ সালের আগষ্ট মাসে আমার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর।

 

 

সংবাদে প্রকাশিত সার্ভিস বুক হারানোর বিষয়টি যেভাবে উনারা উপস্থাপন করেছে তা সত্যিই রহস্যজনক। কেননা সার্ভিস বইটি লেখা ও সংরক্ষন করার দায়িত্ব শিক্ষঅ অফিসের। যেখানে রহস্যজনকভাবে ছুটির কিছু মিথ্যা তথ্য দিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস তার দায়ভার কিছুতেই এড়াতে পারে না। ৩৬৫ দিনের মধ্যে সরকারি ও অফিসিয়াল ছুটি ব্যতীত ১২২ দিন ছুটি কোন অফিসার অনুমোদন করতে পারে বলে আমার জানা নেই। এমনকি আমি নিজেও ১২২ দিন ছুটি ভোগ করিনি, যা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

 

 

গৌরিপুর উপজেলার একটি সিন্ডিকেট নতুন শিক্ষক/শিক্ষিকা যোগদান, চলতি দায়িত্বের শিক্ষক ও বদলি সংক্রান্তসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা নিয়ে থাকে। আমার বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে উক্ত সিন্ডিকেটটি আর্থিক সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্যের মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যাহা অপ্রত্যাশিত ও মানহানিকর। আমি প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

 

 

দিলরুবা ইয়াসমীন

প্রধান শিক্ষক

                                                                             ২৬নং তাফলিয়া সঃপ্রাঃবিঃ, মিরপুর, ঢাকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial