,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ২০৩০ সালের মধ্যে সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় হবে ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী «» ছোটদের সঙ্গে বড়রাও ! স্বাস্থ্যের তলায় তলায় দুর্নীতি বছরের পর বছর «» ধোবাউড়ায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিত করণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্টিত «» কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য গ্রেপ্তার: উত্তরখানে সোহাগ হত্যা «» ধর্ষণের অভিযোগটি ভিপি নূরের বিরুদ্ধে নয় «» সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মূল ঘটনার বিকৃতভাবে উপস্থাপন করায় প্রতিবাদ «» সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা কি ? «» ভালুকায় সাংবাদিক নিগ্রহের বিচার দাবিতে মানববন্ধন «» ইসরায়েল ইস্যুতে প্রকাশ্যে সৌদি বাদশাহ-যুবরাজের বিরোধ! «» শতকোটি টাকা, অফিসে এলাকায় সাম্রাজ্য স্বাস্থ্য-শিক্ষা ডিজির ড্রাইভারের

পরিকল্পিত টেকসই উন্নয়নঃ পাল্টেগেছে গ্রামীণ জনপদের দৃশ্যপট প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে তারাকান্দা-ফুলপুরের মানুষ গর্বিত

এম.এ. কাশেম সরকার, তারাকান্দা : রাজনীতি সচেতন জেলা ময়মনসিংহ সমৃদ্ধ ইতিহাস ঐতিহ্যে। রাজনৈতিক ইতিহাসেও ময়মনসিংহ বরাবরই আলোকিত। প্রধানমন্ত্রী জননেন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে তা আরো উদ্ভাসিত, আলোকোজ্জ্বস। সর্বশেষ অন্যতম দৃষ্টান্ত তারুণ্যদীপ্ত আলোকিত মানুষ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি দৃশ্যমান উন্নয়ন যার সাফল্য ও স্বীকৃতি এবং অগ্রযাত্রায় ময়মনসিংহবাসী গর্বিত। বিশেষ করে গর্বিত উত্তর ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক জনপদ তারাকান্দা-ফুলপুর। সে মাটির সন্তান শরীফ আহমেদ আজ সরকারের একজন সফল প্রতিমন্ত্রীএকজন সফল রাজনীতিবিদ হিসাবে যিনি শুধু উদীয়মান সময়ের সাহসী সন্তান নন যার রাজনীতি মাটি ও মানুষের জন্য উৎসর্গকৃত।

 

 

শরীফ আহমেদ ময়মনসিংহ-২ তারাকান্দা-ফুলপুর আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এই আসন থেকে ইতোমধ্যে তিনি ২ বার নির্বাচিত হয়েছেন। আর তার পিতা শামছুল হক ছিলেন এই আসনের বারবার নির্বাচিত এমপি।

 

ভাষা সৈনিক মোহাম্মদ শামসুল হক ময়মনসিংহের রাজনীতির ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ট কর্মী। ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সংগ্রামী সভাপতি। ময়মনসিংহের রাজনৈতিক অঙ্গনের কিংবদন্তি শামসুল হক জীবদ্বশায় ছিলেন দেশব্যাপী খ্যাত রাজনীতিবিদ। সাহসী নেতৃত্ব আর উচ্চকণ্ঠ ভাষনের জন্য তার খ্যাতি ময়মনসিংহ থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে। দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান এম শামসুল হক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিখ্যাত মূল্যায়ন জননন্দিত হয়ে রয়েছে। জননন্দিত নেতা শামসুল হক সম্পর্কে নেত্রী সংসদে দেয়া বক্তব্যে বলে ছিলেন ‘‘শামসু ভাই না থাকলে পার্লামেন্ট জমে না’’। সেই জননেতা এম শামসুল হক তারাকান্দা-ফুলপুর আসনে ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। তিনি তারাকান্দা উপজেলার স্বপ্নদ্রষ্টা।

 

শামসুল হক এমপি তারাকান্দা-ফুলপুর মানুষকে ভালোবেসে ছিলেন। তারাকান্দা-ফুলপুর বাসীও তাকে ভালোবেসে ছিলেন। সারাজীবনভর তিনি মানুষের স্বার্থে রাজনীতি করে গেছেন। রেখেছেন বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি পিতা প্রখ্যাত এডভোকেট ছমির উদ্দিন সাহেবের ১ শতাধিক একর জমি বিক্রি করে রাজনীতির জন্য ব্যয় করে দিয়ে ছিলেন। রাজনীতির কঠিন দুঃসময়েও তিনি ছিলেন জনগনের মাঝে। সৎ ও আদর্শবাদী নিঃস্বার্থ রাজনীতি এম শামসুল হকের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট ছিল। মৃত্যুর পরও তিনি কালজয়ী অবিস্মরনীয় নেতা।

 

 

সেই বিখ্যাত পিতার পদাংক অনুস্বরন করে রাজনীতিতে আসেন শরীফ আহমেদ। শুরুটা ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। জেলা ছাত্রলীগের সংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ছিলেন আওয়ামী যুবলীগের নেতা। অতঃপর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সম্ভাবনাময় তরুন নেতা হিসাবে তার অগ্রযাত্রা শুরু।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। সেই সাথে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য। জননেত্রীর রাজনৈতিক দর্শন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের বিনির্মান পর্ব। তিনি শুধু দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন না, দেশের ভবিষ্যতের জন্য নেতা তৈরিতেও সিদ্ধহস্ত। তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসাবে ময়মনসিংহের তারাকান্দা-ফুলপুর নির্বাচনী এলাকার রাজনৈতিক অঙ্গন মন্ত্রিত্বখচিত মর্যাদা লাভ করেছে। বরেণ্য রাজনীতিবিদ এম শামসুল হকের রাজনৈতিক অবদানের মূল্যায়ন ও স্বাকৃতিও দিয়েছেন জননেত্রী। তার নির্বাচনী এলাকাবাসীকে সম্মানিত করেছেন তাদেরই নির্বাচিত এমপি শরীফ আহমেদকে মন্ত্রি সভার সদস্য করে।

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে শরীফ আহমেদ ময়মনসিংহ-২ আসনে এমপি নির্বাচিত হন।

 

 

এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হন। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই শরীফ আহমেদ এলাকার উন্নয়ন আর মানুষের কল্যানে আত্ম নিবেদিত হন। ফলে তার নির্বাচনী এলাকায় তিনি জনপ্রিয়তায় সৃদৃঢ় ভিত্তি লাভ করেন।

 

 


নবসৃষ্ট উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবন

 

জনগনের দোড়গোড়ায় সেবা পৌছে দিতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠার উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে আধুনিক শহরের সেবা সমূহ স্থানীয় পর্যায়ে স¤প্রসারণ ও সম্মনিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে নতুন উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের স¤প্রসারিত আধুনিক প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যায় বরাদ্ধে নবসৃষ্ট ৬তলা ভিত্তি ভবনের ৪তলা প্রশাসনিক ভবন আয়তেন ১৭ হাজার বর্গফিট। একই সঙ্গে বহুমুখী ব্যবস্থার উপযোগী ৪হাজার বর্গফুটের সুসজ্জিত হল রুম নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ভবনে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহার এব্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রস্তুতি করা হয়েছে। নতুন ভবনে রয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা। আলাদা টয়লেট, খোলামেলা পরিবেশ। সকল সরকারি সংস্থা একই ছাদের নিচে সেবা দিতে পারছেন। জনগণের সময় খরচ ও বিড়ম্বনা কমেছে। সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৪০ হাজার বর্গফুট আয়তনের স্পেসের সংস্থান করা হয়েছে।


নির্মাণাধীন ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল

 

তারাকান্দা প্রাণকেন্দ্রে ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যায় বরাদ্ধে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতারের কাজ চলছে। এদিকে নির্মাণাধীন ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নতিকরনে গৃহায়ণ ও গণপূর্ণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি একটি ডিও লেটার পাঠিয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বরাবরে পাঠিয়েছেন বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

 

মডেল মসজিদ নির্মাণঃ উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে তালদিঘী নামক স্থানে একটি মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে।


বক্শীমূল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় নির্মিত ৪তলা পাকা ভবন, এসব ভবন নির্মিত হবে স্কুলে স্কুলে

 

 

তারাকান্দা-ফুলপুরে ২ কলেজ, ২ উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী করণ করা হয়েছে। ৩ কলেজ ৪০ উচ্চ বিদ্যালয় ১৪ মাদ্রাসায়, ৪ তলা, ৩ তলা ও উর্ধ্বমুখী ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ১৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ২ উপজেলায় ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মানের কাজ চলছে।

 

 

যাতায়াত ও যোগাযোগঃ
যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন লক্ষনীয়। ২ উপজেলার ৬০টি গ্রামীন রাস্তার পুর্ননির্মাণ ও পাকাকরণ করা হয়েছে সবমিলিয়ে প্রায় ২শ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও হেরিংবন্ড করা হয়েছে। অসংখ্য ব্রীজ কালভার্ট, বক্স কালভার্ট নির্মিত হয়েছে। এসব রাস্তায় এখন যান্ত্রিক যানবাহন সিএনজি, অটো রিক্সা যোগা যাতায়ত চালু হয়েছে। জনদুর্ভোগ কমেছে।

 

 

বিদ্যুৎ  সৌরবিদ্যুৎ :
বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হয়েছে এবং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গ্রামীণ হাটবাজার, মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যু পৌছেছে। এদিকে সৌরবিদ্যুতের আলোয় আলোকিত তারাকান্দা-ফুলপুর। তারাকান্দায় এপর্যন্ত ৬ হাজার ৮শত ৫৮টি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। সমসংখ্যক সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে ফুলপুরে।

 

 

বয়স্কঃবিধবাঃ প্রতিবন্ধীঃ
তারাকান্দা-ফুলপুরে বয়স্ক-বিধবা-পঙ্গুভাতা উপকারভোগীদের উচ্ছাসিত করেছে প্রাপ্ত তথ্যে তারাকান্দায় বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর ভাতা পাচ্ছেন ১২ হাজার ১শত ৯৮ জন। বিধবা ভাতাভোগী আছেন ৩ হাজার ৯শত ৪৫ জন, প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন ৪ হাজার ৫৫ জন নিয়ে মোট উপকারভোগীর সংখ্যা রয়েছে ২০ হাজার ২শত ৭ জন। অনুরোপ সংখ্যাক ভাতাভোগী আছেন ফুলপুরে। নতুন করে চলতি অর্থ বছরে উপকার ভোগীর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এদিকে ফুলপুরে শতভাগ বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধীকে ভাতা দেওয়ার কাজ চলছে।

 

 

কৃষিতে চলছে ডিজিটাল বিপ্লবঃ
দুই উপজেলা জুড়ে কৃষিতে শুরু হয়েছে ডিজিটাল বিপ্লব
যান্ত্রিক সেচ ব্যবস্থা, চাষাবাদ থেকে শুরু করে ভাস্যমান পদ্ধিতে বীজ চারা উৎপাদন যান্ত্রিক চাষাবাদ, ধান রোপন, ধান কর্তন, ধান মাড়াই চলছে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে। র্ভতুর্কি মূল্যে কৃষি কর্তৃক দেয় যান্ত্রিক কৃষি মেশিন বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে তারাকান্দ-ফুলপুর টেকসই পরিকল্পিত উন্নয়ন দৃশ্যপট পাল্টে গেছে গ্রামীন জনপদ।

 

 

দ্বিতীয় দফা এমপি নির্বাচনের পর সরকার প্রধান তাকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী দায়িত্বভার অর্পন করেন।
এর মধ্য দিয়ে তারাকান্দা-ফুলপুর প্রথম বারের মতো মন্ত্রী পেয়ে রাজনীতিক ইতিহাসের এক নতুন অধ্যয়ে সংযুক্ত হয়। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শরীফ আহমেদ দায়িত্ব পালনে সাফল্যের ধারা সূচনা করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অতি স¤প্রতি তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করেন।

 

 

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শরীফ আহমদের ১ বছরের ভূমিকায় সন্তুষ্ট হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তেমনি প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ নিজ জেলা ময়মনসিংহের আপামর জনগনের কাছেও উজ্জ্বল ভাবমূর্তি অর্জন করেছেন। রাজনৈতিক ভাবেও তিনি গতিশীল ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে এগিয়ে চলেছেন।

 

ময়মনসিংহের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে তরুন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ নিজেকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং সর্বোপরি তার পারফরমেন্স ময়মনসিংহের রাজনীতিতে তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জনগনের কাছে তার গ্রহণ যোগ্যতা প্রশংসার দীপ্তি ছড়াচ্ছে। বিশিষ্ট, রাজনীতিবিদ, গন মানুষের নেতা, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহকর্মী, মহান মুক্তিযুদ্ধের অনত্যম সংগঠক, ভাষা সৈনিক এম শামসুল হকের রাজনীতির যোগ্য উত্তরসূরী হিসাবে তারই সুযোগ্য সন্তান প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলা এবং বিশেষ করে তারাকান্দা-ফুলপুরের মানুষ এখন গর্ব করে।
ইতিপূর্বে যে এলাকার মানুষ নিজ এমপিকে মন্ত্রী হিসাবে দেখেনি, এখন সেই তারাকান্দা-ফুলপুর শুধু মন্ত্রীত্বের গৌরবের অংশীদার নয়, তাদের রাজনৈতিক ইতিহাস শরীফ আহমেদের প্রতিশ্র“তিশীল নেতৃত্বের সুবাদে ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। পরিকল্পিত উন্নয়নের ছোয়ায় এলাকায় সরকারের অবদান আজ দৃশ্যমান। আর রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে আওয়ামীলীগ ও স্থানীয় জনমানুষের কাছে অধিকতর আস্থায় সম্পৃক্ত হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ হয়ে উঠেছেন এলাকবাসীর আস্থা ও ভালোবাসায় সমাদৃত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial