,
সংবাদ শিরোনাম :
«» চট্টগ্রামের ভোটের উত্তাপ সংসদে «» ৩ কোটির বেশি ভ্যাকসিন কেনার ব্যবস্থা সম্পন্ন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী «» ‘সাধারণ মানুষ যেটা নেবে আমিও তাই নেবো’ বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী «» মাদক ও অস্ত্র মামলায় গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে পৃথক দুই চার্জশিট «» দুদিনের মধ্যে গেজেট, এরপর এইচএসসির ফল : শিক্ষামন্ত্রী «» কারাগারে বন্দির নারীসঙ্গ : সিনিয়র জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার «» ব্লগার দীপন হত্যা মামলার রায় ফেব্রুয়ারিতে «» লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা ৫০ কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার, স্থাপনা উচ্ছেদ «» বাংলাদেশে করোনার টিকাদান শুরু ২৭ জানুয়ারী থেকে «» একটা ঠিকানা আমি সব মানুষের জন্য করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় অভিজিৎ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ জানুয়ারি

মাটি ও মানুষ: ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

 

 

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজ বুধবার (৬ জানুয়ারি) ধার্য ছিল। কিন্তু কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এদিন ধার্য করেন।

 

 

বিদায়ী বছরের ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত মামলায় মোট ৩৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

 

 

মামলার আসামিরা হলেন মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আকরাম হোসেন ওরফে আবির, মো. আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি।

 

 

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে জখম করে। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

 

 

পরের দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

 

 

২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর একই বছরের ১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial