,
সংবাদ শিরোনাম :
«» রাজধানীতে পুলিশ-ছাত্রদল ব্যাপক সংঘর্ষ, টিয়ারশেল-গুলিতে আহত ৩৫ «» ইব্রাহিম খালেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক «» রাজধানীর নীলক্ষেত মোড় দ্বিতীয় দিনের মতো অবরোধ করে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীরাদের «» আইপি টিভি ‘নক্ষত্র বাংলা’র লোগো উন্মোচন «» আইজিপির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক বৃহস্পতিবার «» শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এমপি’র বাণী «» রাজনৈতিক বেনিয়াদের বিরুদ্ধে ঐক্যের ডাক, উচ্ছ্বাসে উত্তাল বিদ্রোহী মৌজা আকুয়া «» দি সবুজ বাংলা কুরিয়ার সার্ভিস লিঃ ময়মনসিংহ শাখার শুভ উদ্ভোধন «» মার্চ-এপ্রিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত- প্রধানমন্ত্রী «» দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের দুই ধাপ অবনতি

কারাগারে বন্দির নারীসঙ্গ : সিনিয়র জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার

কাশিমপুর কারাগার–১–এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার নূর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কারাবন্দী হল–মার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমদ কারাগারের কর্মকর্তার কক্ষে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর এ  নিয়ে মোট ৫ জনকে প্রত্যাহার করল কারা অধিদপ্তর।

 

 

কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরির্দশক কর্নেল মো. আববার হোসেন গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।

 

৬ জানুয়ারি কারা কর্মকর্তারা তুষার আহমদের সঙ্গে এক নারীর সময় কাটানোর সুযোগ করে দেন। কারাগারের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে এই ঘটনার সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত, তাঁদের চিহ্নিত করেছে ঘটনা তদন্তে কাজ করা দুটি কমিটি।

 

 

এর আগে যে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তাঁরা হলেন ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলাইন, সার্জেন্ট ইনস্ট্রাক্টর মো. আবদুল বারী ও সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. খলিলুর রহমান।

 

 

রত্না রায় ঘটনার জন্য জেলার নূর মোহাম্মদকে দায়ী করে একটি প্রতিবেদন কারা মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেননি। তিনি প্রতিবেদনে বলেন, তাঁকে না জানিয়েই জেলার এটা করেছেন। অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি রত্না রায়ের।

 

যদিও নূর মোহাম্মদ গণমাধ্যমকে বলেন, রত্না রায়ের নির্দেশে তিনি তুষার আহমদকে ওই নারীর সঙ্গে সময় কাটানোর অনুমতি দেন।

 

 

কারাগারের একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কমিটির কাছে তুষার বলেছেন যে নারীর সঙ্গে তিনি সময় কাটিয়েছেন, সেই নারী তাঁর (তুষার) দ্বিতীয় স্ত্রী।

 

৬ জানুয়ারির সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কারাগারের ভেতরে কর্মকর্তাদের অফিস এলাকায় কালো রঙের জামা পরে ঘোরাফেরা করছেন তুষার আহমদ। কিছু সময় পর বাইরে থেকে বেগুনি রঙের জামা পরা এক নারী সেখানে আসেন। এ সময় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন সেখানে ছিলেন।

 

দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে দুই যুবকের সঙ্গে ওই নারী কারাগারের কর্মকর্তাদের কক্ষের দিকে যান। সেখানে ওই নারীকে সাকলায়েন স্বাগত জানান। ফুটেজে আরও দেখা যায়, ওই নারী কক্ষে ঢোকার পর সাকলায়েন বেরিয়ে যান।

 

 

আনুমানিক ১০ মিনিট পর তুষারকে সেখানে নিয়ে যান সাকলায়েন। এর প্রায় ১০ মিনিট পর রত্না তাঁর কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। দুই মিনিট পর রত্নার কক্ষের দিকে যান তুষার।

 

 

এরও দুই মিনিট পর সেখান থেকে বেরিয়ে ওই নারীকে নিয়ে আবার রত্নার কক্ষে যান তুষার। যাওয়ার সময় তাঁদের হাসি-তামাশা করতে দেখা যায়। এর দুই মিনিট পর তুষার ও ওই নারী সাকলায়েনের কক্ষে ফেরেন। সেখান থেকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর তাঁরা বের হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial