Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

,
সংবাদ শিরোনাম :
«» ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব «» আজ ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব-এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী : গুণীজন সম্মাননা ‘২০১৯ পাচ্ছেন ১৩ গুণী ব্যক্তিত্ব «» অস্ত্র চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি মানিক গ্রেফতার «» ডাকসু’র জিএস ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক রব্বানী’র জন্মদিনে বাকৃবি শাখার দৃষ্টিনন্দন আয়োজন «» কলমের স্বপ্নভঙ্গ- ৭১’এর মতো আরেকটি যুদ্ধ করতে হবে, তরুণ প্রজন্ম তৈরি থেকো- ফ্যাক্ট রোহিঙ্গা «» অক্সিজেনের ফ্যাক্টরিতে আগুন : আমাজন জঙ্গল «» পরিচ্ছন্ন নগরী চাই, ডেঙ্গু মুক্ত জীবন চাই «» ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা: এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর চাই না «» বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কিছু সময় «» রিতুকে ফিরে পাওয়ার আকুতি ; সন্ধান চাই

খুলনায় আ.লীগে মারামারি, গুলি

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, মারামারি ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী ও তার তিন সমর্থক আহত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে জেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলাকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর দুই পক্ষে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, শনিবার ছিল জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিন। এদিন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী শেখ হারুনুর রশীদের পক্ষে জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামালের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন।  এসময় দলের বিদ্রোহী প্রার্থী অজয় সরকারের সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন। বেলা ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শেখ হারুনুর রশীদের সমর্থকরা অজয় সরকারের সমর্থক চিন্ময় (৩৫), কাজল (৩২) ও ফারুক হোসেনকে (৩৩) মারধর করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে অজয় সরকার বেরিয়ে আসলে তার উপরে হামলা হয়। এক পর্যায়ে তিনি পুলিশি পাহারায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

জেলা পরিষদের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী অজয় সরকার অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে হারুনুর রশীদের লোকজন তার সমর্থকদের উপর হামলা করেছে। হামলায় চারজন সমথর্ক আহত হয়েছে।

বিদ্রোহী প্রার্থী অজয় সরকার বলেন, ‘প্রতিপক্ষরা আমার পেটে ছুরি মেরেছে। তারা আমাকে লক্ষ করে গুলি করেছে। তবে গুলিটি লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় আমি প্রাণে বেঁচে গেছি।’
তবে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল বলেন, ‘অজয় সরকার দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তি করায় নেতাকর্মীরা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়। এক পর্যায়ে তিনি গাড়িতে উঠে গুলি ছুড়তে ছুড়তে চলে যায়।’

ঘটনাস্থলে উপস্থিত খুলনা সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, বেলা আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অজয় সরকার আসলে তার প্রতিপক্ষের লেকাজন তার উপর চড়াও হয়। আমরা তাকে নিরাপত্তা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেই। গুলি করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
তবে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম গুলি বর্ষনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দুই রাউন্ড গুলি হয়েছে বলে শুনেছি। এখনও পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial